সাবধান! অজান্তেই হয়তো অনেকের খাওয়া খাওয়ার খাচ্ছেন আপনি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, তামিলনাড়ুঃ আপনি কি অনলাইনে অর্ডার করে খাবার খেতে পছন্দ করেন? তাহলে একটু সাবধান। সময় এসেছে নিজে গিয়ে খাওয়ার কিনুন। তাছাড়া একটু হাঁটাচলা করলে শরীর স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। না শরীর চর্চার পরামর্শ নয়। এ এক অন্য কথা। কারণ, হতে পারে আপনি টাকা দিচ্ছেন আপনার পছন্দ মতো খাবারের জন্য কিন্তু যেটা পাচ্ছেন ডেলিভারিতে সেটা কারো খাওয়া খাওয়ার। কি শুনে কপালে ভাঁজ পড়ছে! পড়ারই কথা।

কারোর অর্ডার করা খাবারের কিছুটা খেয়ে ফের তা প্যাকিং করে ডেলিভারি বক্সে ভরে রাখতে দেখা গেছে বহুল প্রচলিত এক ফুড ডেলিভারি কোম্পানির ডেলিভারি বয়কে! এই ঘটনা ঘটেছে তামিলনাড়ুর মাদুরাইয় শহরে। আর সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট দেখা গেছে, ওই বহুল প্রচলিত ডেলিভারি কোম্পানির এক ডেলিভারি বয়, ডেলিভারি বক্স থেকে খাবার বের করে সেই খাবার নিজে খেয়ে আবার তা প্যাক করছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই আধখাওয়া খাবার ক্রেতাকে পৌঁছে দিয়েছেন ওই ডেলিভারি বয়। ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে সেই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।


সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে চটজলদি ব্যবস্থা গ্রহণ করছে তারা। বরখাস্ত করা হয়েছে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে। প্রসঙ্গত, চলতি আর্থিক বছরে ৪৬৬ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ওই নির্দিষ্ট কোম্পানিটি। যা তাদের গত বছরের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দীপেন্দর গোয়েল ও পঙ্কজ চড্ডা মিলে রেস্টোরেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন ওই কোম্পানিটির। বর্তমানে প্রায় দেড় লক্ষ রেস্তোরাঁর নানাবিধ তথ্য গ্রাহকদের কাছে তুলে ধরে এই সংস্থাটি। ইতিমধ্যে ১৪ টি দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ এই বহুল প্রচলিত ফুড কোম্পানিটির মোবাইল অ্যাপ দ্বারা রেস্তোরারঁ খাবার, ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর ইত্যাদি সংগ্রহ করে থাকেন। এই সংস্থায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কর্মী রয়েছেন। আর এই দেশে যে সমস্ত রেস্টুরেন্টের ফুড লাইসেন্স নেই তাদের সাথে গাঁটছড়া ভেঙেছে সংস্থাটি। কিন্তু এই দৃশ্য চোখে দেখার পর অনেক গ্রাহকরাই পিছুপা হচ্ছেন অনলাইন অর্ডার করতে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment