সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক কোনো আইন হলে তা হবে দুঃখজনক : বিএফইউজে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বেঙ্গলটুডে প্রতিনিধি, ঢাকা:

ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধের নামে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক কোনো আইন প্রণয়ন হলে তা হবে দুঃখজনক। জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরীর কাছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে উদ্বেগ জানিয়ে বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ ২২শে এপ্রিল এ কথা বলেন। বিএফইউজে সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও মহাসচিব ওমর ফারুক প্রস্তাবিত বিলটি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা স্পিকারের হাতে তুলে দেন। তারা বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করতে একটি আধুনিক আইনের প্রয়োজন একথা বিএফইউজে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। কিন্তু ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধের নামে স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক হিসেবে কোন আইন প্রণয়ন হলে তা হবে সত্যি দুঃখজনক।’

প্রস্তাবনায় বলা হয়, ‘এর আগে তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত আইন যখন জাতীয় সংসদে পাস হয় তখন এই ভেবে আশ্বস্ত হয়েছিলাম যে, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন ধারার অপরাধ দমনে নতুন আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে। কিন্তু পরবর্তীকালে এই আইনের বিশেষত: ৫৭ ধারার ব্যাপক অপপ্রয়োগে সাংবাদিকতা হুমকির মধ্যে পড়ে এবং সরকারও দেশে বিদেশে ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। সেই প্রেক্ষাপটেই তথ্য প্রযুক্তি আ্ইনটি আধুনিকায়ন করে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ নামে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।’ তারা বলেন, এই আইনটিতে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারাটি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে উদ্বেগের কথা জানানো হলেও দেশের সাংবাদিক সমাজের বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের কোন মহল থেকে আমাদের সাথে কোন ধরনের আলোচনা না করেই বিলটি সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।

সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, একতরফাভাবে সংসদে উপস্থাপিত বিল অনুযায়ী এই আ্ইনটি পাস হলে এর অপপ্রয়োগ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা হুমকির মধ্যে ফেলবে, যা হবে সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী। নেতৃবৃন্দ জানান, স্পিকার মতামত গ্রহণ করেন এবং বিধি অনুযায়ী উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন। এ বিষয় নিয়ে সোমবার আইনমন্ত্রীর সাথে বিএফইউজের মত বিনিময়ের কথা রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ