গভীর রাতে মাছের হেচারী সহ ব্লাউজ কারখানায় আগুন

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শান্তনু বিশ্বাস, বসিরহাট:

১৯ শে জানুয়ারি বসিরহাটের হাড়োয়া থানার অন্তর্গত গড়েরডাঙ্গা বাজারে গভীর রাতে আগুনে ভুস্মীভূত হয়ে যায় মাছের মীনের হ্যাচারী সহ ব্লাউজ কারখানা। এর জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লক্ষ্যাধিক টাকার মাছ ও বিভিন্ন জিনিস পত্র।

স্থানীয় সুত্রে খবর, এদিন রাত ২ টো নাগাদ হঠাৎ বসিরহাটের হাড়োয়া থানার অন্তর্গত গড়েরডাঙ্গা বাজারে শ্যামল প্রামাণিক,বাহার মণ্ডল,ও নিজাম মোল্লার মাছের হেচারী সহ বনমালী প্রামানিক নামক এক ব্যক্তির ব্লাউজ কারখানাও দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখেন এলাকাবাসীরা। এরপর স্থানীয়রাই জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়। পরে অবশ্য আগুন কিছুটা কমে আসলে স্থানিয়রাই জল দিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন। যদিও ততক্ষনে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মূলত মাছের হেচারী গুলীতে বেশ কয়েক লক্ষ টাকার মাছের মিন ছিলো। সেই সঙ্গে ব্লাউজ কারখানাতেও বেশ কয়েক হাজার টাকার জিনিস পত্র ছিলো। পাশাপাশি ওই স্থানে ছিল দুটি সাইকেল,একটি মোটর সাইকেল সহ বেশ কিছু জিনিস পত্র যা আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়।

পুলিশি সুত্রে খবর, আগুন লাগার পরে স্থানীয়রাই পুলিশে খবর দেন এবং খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই স্থানীয়রাই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান শর্টশার্কিট থেকেই এই আগুণ ছড়িয়ে পরেছে। এছাড়া তারা আরও বলেন, মাছের হেচারীর ঘর গুলী খড়ের তৈরি হওয়ায় এর দরুন দ্রুত আগুণ ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রসঙ্গগত এদিনের এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হন শ্যামল প্রামাণিক, বাহার মণ্ডল, নিজাম মোল্লা প্রভৃতি ব্যক্তি এবং তারা ঘটনা স্থলেই কান্নায় ভেঙে পরেন। এক্ষেত্রে হেচারী মালিক শ্যামল প্রামানিক বলেন, ‘আমার ব্যবসা পুরো পুরি ভাবে শেষ হয়ে গেলো, এবার আমার ভিক্ষে করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেয়,সরকার যদি কিছু সাহায্য করে তাহলে আমারা উপকৃত হবো।’

সম্পর্কিত সংবাদ