আবারও বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সোনারপুর, আহত ১৩ ও মৃত ১

অমিয় দে, সোনারপুরঃ পুজো আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন, এর মধ্যেই আবারও বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সোনারপুর। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক শ্রমিকের। বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে খাক হয়ে যায় পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলি। আগুন লাগার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌছায় দমকলের ৪টি ইঞ্জিন। ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। গুরুতর জখমরা বর্তমানে বারুইপুর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে। এলাকায় বেআইনি বাজি কারখানায় এভাবে আগুন লাগার ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্ষুদ্ধ বাসিন্দারা। এমনকি পুলিসকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতেও শুরু করে দেয় তাঁরা।…

মিনাখাঁয় গৃহবধূ কে পিটিয়ে খুন

  অর্ণব মৈত্র,মিনাখাঁঃ বাড়ির কাজ কর্ম না করায় গৃহবধূ কে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল শ্বশুর বাড়ির বিরুদ্ধে। পলাতক স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি। জানা যায়, ২০১৬ সালে ভাঙড় থানার উত্তর জাগুলগাছী গ্রামের দিনমজুর সেলিম মোল্লার মেয়ে সালমা গাজীর বিয়ে হয় মিনাখাঁর দক্ষিণ বামনপুকুর গ্রামের মোসলেম গাজীর ছেলে পেশায় দর্জি মিস্ত্রী সাহিদ গাজীর (২৩) র সঙ্গে। প্রায় তিন বছরের সংসারে তাদের দেড় বছরের একটি কন্যা সন্তানও আছে। অভিযোগ, গত কয়েক মাস আগে স্বামী সাহিদ গাজী তার স্ত্রী সালমা বিবিকে বেধড়ক মারধোর করে। এমনকি তার হাতে গরম খুন্তির ছ্যাঁকাও দেওয়া হয় এমনটাই…

মহালয়ার বিশেষ প্রতিবেদনঃ মা হওয়া কি এতই সোজা?

রাজীব মুখার্জী ও মণিশঙ্কর বিশ্বাস, মল্লিক ফটক, হাওড়াঃ সারা বছর ধরে রাস্তায় হামেসাই দেখা যায় নানা হোর্ডিং, ব্যানার। কিন্তু পুজোর সময় সেটা আরও সংখ্যায় বৃদ্ধি পায়। মোড়ে মোড়ে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের হোর্ডিং বা ব্যানার। ৮ই অক্টোবর বেঙ্গলটুডের সাংবাদিকরা যখন খবর সংগ্রহের তাগিদে রাস্তায়, তখন হঠাৎ-ই চোখে পড়ে একটি দোকানের হোর্ডিং, যা দেখে বলা যেতেই পারে নতুনত্ব ও ব্যতিক্রমী সম্পূর্ণতায় ভরা। “ঘোষাল অ্যান্ড ডটার”, নামে একটি মিষ্টির দোকান। এতদিন রাস্তায় হামেশাই সকলের চোখে পড়েছে নিশ্চয় “অমুক অ্যান্ড সন্স” কিংবা “তমুক অ্যান্ড সন্স”, কিন্তু নাম কিংবা পদবির সাথে “ডটার” লেখা যে…

যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তি রুপেন সংস্থিতা!! মাতৃপক্ষে দশভুজা স্বমহিমায়!!

  রাজীব মুখার্জী, বেলুড়, হাওড়াঃ গাড়ির বুকিং আসায় যাত্রীর সাথে ফোনে কথা বলে তার বুকিংয়ের স্থানে পৌঁছে অপেক্ষা করছিলো সাদা ধবধবে রঙের ক্যাবটি। যাত্রী গাড়িতে উঠেই, “ভাই একটু তাড়াতাড়ি যেতে হবে।” স্বহাস্য মুখে ড্রাইভার বলে ওঠে, “নিশ্চই যাবো দাদা, তবে ভাই না বোন নিয়ে যাবে” গলার আওয়াজ শুনে গাড়ির যাত্রীও খানিকটা অবাক সামনে ড্রাইভারের সিটের দিকে তাকিয়ে দেখে তো আরও শংকিত হয়ে পড়েন। দেখলেন ড্রাইভারের সিটে বসে আছেন যিনি তিনি কোন পুরুষ নন যা সর্বদা দেখে অভ্যস্ত সবাই। ড্রাইভার একজন মহিলা। যাত্রী মহাশয় শ্বভ্রমে তাকিয়ে বললেন, “সরি বুঝতে পারি নি,…