অবশেষে বৃষ্টির জেরে ঝাড়গ্রামের মানুষের স্বস্তি

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রামঃ ঝাড়গ্রামে দীর্ঘ কয়েকদিনের অসহ্য গরমের পর হালকা বৃষ্টিতে পরিবেশকে ঠান্ডা হওয়ায় এলাকার মানুষ অনেকটাই স্বস্তি। ১লা জুন বিকেল থেকেই শুরু হয়েছে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ার সাথে সাথে ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকাতে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। অবশেষে স্বস্তি দেয় বৃষ্টি। ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বিগত কয়েকদিনের গরমের পর হালকা বৃষ্টি হওয়াতে মানুষ অসহ্য গরম থেকে অনেকটাই হাপ ছেড়ে বাঁচল।

বাপেরবাড়ী থেকে জামাইষষ্ঠীর নিমন্ত্রণ পাওয়ার ১ঘন্টার মধ্যেই মেয়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু!!

অরিন্দম রায় চৌধুরী, কলকাতাঃ শ্যামনগর ঘোষ পাড়া রোডের ধারে “অর্পণ” কমপ্লেক্সের ৪ তলার ফ্ল্যাটে বসবাস করেন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে অবসর প্রাপ্ত অসুস্থ স্বপন চক্রবর্তী। তার তিন মেয়ে এবং স্ত্রী বলাকা চক্রবর্তীকে নিয়ে তার পরিবার। বড় মেয়ে ও ছোট মেয়েকে আগে বিয়ে দিয়ে দিলেও মেজ মেয়ে অর্থাৎ পায়েলকে বিয়ে দেন গত বছর ২০১৭ সালের ১৬ই জানুয়ারি। কিন্তু প্রশ্ন কি ভাবে হলো পায়েলের এই বিয়ে? প্রসঙ্গত ম্যাট্রিমনি সাইটে শ্যামনগরের মেয়ে পায়েলের সাথে আলাপ হয় দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণীর ছেলে মৃগাঙ্ক রায়ের। কর্মসূত্রে মৃগাঙ্ক নিউটাউনের একটি বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করেন।…

অবশেষে একটু স্বস্তি, কিন্তু ক্ষণস্থায়ী!!

অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ চাপা ভেপসা গরম এর মধ্যে সকাল সকাল এক পশলা বৃষ্টি ক্ষণেকের জন্য হলেও স্বস্তির আবহাওয়া তৈরি হলো বঙ্গে। ১লা জুন সকালে যখন মানুষ নিজের কর্মস্থলের দিকে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে যাচ্ছে তখনই আকাশ কালো করে নেমে এল বর্শা। অল্প কিছুক্ষণ ধরে মেঘের বজ্র-নিনাদ আর তারপর শান্তির ধারা। সকলে কিছুক্ষণের জন্য হলেও শান্তি পেলেও শান্তি নেই ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্র্যাফিক বিভাগের কর্মরত পুলিশের। বর্শার মধ্যেও তাই ছাতা মাথায় দিব্যি দেখা গেল যান নিয়ন্ত্রণে ব্যাস্ত তারা। এই দৃশ্যই প্রমাণ করে ট্র্যাফিক পুলিশের কি বা রাত কি দিন, শিত-গ্রীষ্ব-বর্শা…