অটোচালকের বুদ্ধিমত্তায় হাতে নাতে পাকরাও অশ্বালিন আচরণে মত্ত এক সেনা কর্মী

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ “যে রক্ষক, সেই ভক্ষক” এই কথাটা আবারও মনে হয়ে একবার প্রমাণ হলো ব্যারাকপুর শহরে। যাদের হাতে দেশমাতৃকার মান বাচানোর গুরুদায়িত্ব তাদেরই একজন অপমান করলেন এক স্থানীয় নারীকে। আবারও ভর সন্ধ্যায় অটোতে শ্লীলতাহানির অভিযোগ। ঘটনায় প্রকাশ এক তরুণী সন্ধ্যায় বেলঘরিয়া রথতলার নিজের দিদির বাড়ি থেকে ব্যারাকপুরে মাসির বাড়িতে আসার জন্য বি.টি.রোড থেকে অটো ধরে। আসার সময় পথে আগরপাড়া কাছ থেকে এক ব্যক্তি ওঠে অটোয় আর এর পরেই সেই ব্যাক্তি তরুণীর সঙ্গে অশ্লীল আচরন করতে শুরু করে এবং তরুণীর শরীরে হাত দেয় বলে অভিযোগ। অটো চালকের উপস্থিত…

গাছের আম হলো বজরংবলী! কবে পরিত্রাণ এই কুসংস্কার থেকে?

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, খড়দহঃ সভ্যতার আদি কাল থেকে মানব সেবায় নিয়োজিত বিজ্ঞান। আর আজকের দিনে তো মানুষের জীবন সম্পূর্নভাবে বিজ্ঞানের উপর নির্ভরশীল। মানুষের দৈন্যন্দিন জীবন থেকে শুরু করে উন্নত চিকিৎসাশাস্ত্র সবই বিজ্ঞানের জয়যাত্রার ফসল। কিন্তু আজও মানুষ ধর্মীয় কুসংস্কার, অন্ধ বিশ্বাস, তন্ত্র-মন্ত্র ইত্যাদিতে বিশ্বাসী। এখনও ভারতবর্ষের গ্রামের মানুষের উপর ভূত ভর করে। আর ডাইনি সন্দেহে মানুষকে পুরিয়ে মারার ঘটনাতো হামেশাই ঘটছে। এখন প্রশ্ন কবে হবে মানুষ এই সব ধর্মীয় কুসংস্কার থেকে মুক্তি? আজ সকলের হাতেই আছে স্মার্ট ফোন কিন্তু কবে হবে স্মার্ট মানুষ, যারা এই সব অন্ধ কুসংস্কার থেকে…

নাবালিকার বিয়ে রুখল সহপাঠীরা

  জয় চক্রবর্তী, বাগদাঃ দেশের মধ্যে বৃহতর সামাজিক সমস্যার মধ্যে বাল্য বিবাহ একটি জলন্ত জীবন্ত সমস্যা। একুশ শতকের তীব্র সচেতনতার যুগেও কোথাও লুকিয়ে রয়েছে অসচেতনার কালো মেঘ। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বাল্যবিবাহের ঘটনা সহজে রোখা যাচ্ছে না। সপ্তম কিংবা নবম শ্রেণির পাঠ চুকিয়েই মেয়েরা সাত পাকের বাঁধনে আবদ্ধ হয়ে পড়ছে। এর জন্য অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবকেই দায়ী করছে প্রশাসন। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা ঘুরেফিরে সেই একটাই, বাল্যবিবাহ। সেই বাল্যবিবাহের ঘটনা এবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও। তবে আসার বানী এটাই যে বর্তমানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রীরা অনেকটাই জাগ্রুক তা বলাই বাহুল্য। আপাতত রুখে দয়া গেল…

সাপের সঙ্গে সেলফি! বেকায়দায় ফরেস্ট রেঞ্জার

  ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গালটুডেঃ সকলেই জানে সাপ এমনই এক জীব, যা চরম সাহসীকেও বিপদে ফলতে সময় নেয়না! এমন কথা প্রায়ই শোনা যায়। তবে জলপাইগুড়ির বইকুণ্ঠপুরের ফরেস্ট রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত এই বেদবাক্যের সত্যতা ভুল প্রমাণিত করতে গিয়ে হাড়ে হাড়ে টের পেলেন। এই দাপুচে ফরেস্ট রেঞ্জার পাইথন-কে জড়িয়ে ছবি তোলার পোজ দিচ্ছিলেন, আর এমন সময়েই বেঁকে বসে বিষাক্ত সরীসৃপটি। এলাকায় পাইথন ধরা পড়ার পর থেকে জলপাইগুড়ির বইকুণ্ঠপুরে হইচই পড়ে গিয়েছিল। চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সাপকে ততক্ষণে কাঁধে নিয়ে জনসমক্ষে দাঁড়িয়েছেন বইকুণ্ঠপুরের ফরেস্ট রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত। উপস্থিত স্থানীয় জনতার ভিড়ের মধ্যে তিনিই তখন ‘নায়ক’। কাঁধে…

উল্টোডাঙ্গা পুলিশ থানার এক অফিসারের তৎপরতায় স্মৃতিশক্তি হারানো বৃদ্ধ ফিরে পেলেন পরিবার

অরিন্দম রায় চৌধুরী, কলকাতাঃ ব্যারাকপুরের ট্র্যাফিক বিভাগের অফিসার সঞ্জীব নস্করের করা সামাজিক কর্মের পর এবার উল্টোডাঙ্গা পুলিশ থানায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। গতকাল অর্থাৎ ১৪ই জুনের ঘটনা। সকাল সোয়া দশটা নাগাদ উল্টোডাঙা থানায় খবর আসে, এক অজ্ঞাতপরিচয় বয়স্ক ব্যক্তি অর্ধচেতন অবস্থায় পাতিপুকুর বাসস্ট্যান্ডের ফুটপাতে পড়ে আছেন। বাইরে তীব্র রোদ আর গরম, তাতেই খুব সম্ভবত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। খবর পেয়ে থানার ডিউটি অফিসার সুজয় রায় প্রথমেই পুলিশের ‘ট্রমা কেয়ার’ অ্যাম্বুলেন্সে খবর দেন। বয়স্ক মানুষটিকে যত দ্রুত সম্ভব আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক কিছু চিকিৎসার পর একটু সুস্থ বোধ…

পাঁচ-পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরে অবশেষে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে মুর্শিদাবাদের মল্লিক পরিবার পেল খুশির ঈদের উপহার

অরিন্দম রায় চৌধুরী ও শর্বাণী দে, কলকাতাঃ রমজান মাসে শেষের মুখেই ঠিক মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে মুর্শিদাবাদের বড়োয়া এলাকার গৃহবধূ নুরজাহান বিবির ৬ মাসের শিশু তৌফিক মল্লিকের সঙ্গে। পারিবারিক সুত্রে খবর, অসাবধানতা বশত প্রায় আড়াই ইঞ্চির একটি পেরেক গিলে ফেলে ছোট শিশু তৌফিক। শিশুটির কাকা হঠাৎই খেয়াল করেন শিশুটির মুখ দিয়ে ফেনা ও রক্ত বেরিয়ে আসছে। আর তারপরই তড়িঘড়ি শিশুটিকে মুর্শিদাবাদের বড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তাকে পাঠানো হয় কান্দুলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। সেখানও শিশুটির পরিবার কোন আসার আলো না দেখতে পেয়ে  শিশুটিকে নিয়ে যায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে।…

কসবায় প্রৌঢ়া হত্যাকাণ্ডের কিনারা চব্বিশ ঘন্টায়

অরিন্দম রায় চৌধুরী, কলকাতাঃ ৯ই জুন, শনিবার পরিকল্পনা মাফিক খুন করা হয়ে কসবার টেগোর পার্কের বাসিন্দা শীলা চৌধুরীকে। দুই অভিযুক্তকে টানা জেরার পর এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। প্রধান অভিযুক্ত শম্ভু কয়ালের গেঞ্জি, শীলা চৌধুরীর ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া চাদর, গামছা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। সিনেমা দেখে খুনের ও প্রমাণ লোপাটের ছক সাজিয়েছিল সদ্য কৈশোর পেরোনো দুই আততায়ী। পরিকল্পনা খেটে গেলেই বোঝা সম্ভব হত না, খুন না দুর্ঘটনা। জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ এলে ঘরের ভিতরের দৃশ্য ছিল এইরকম। বৈঠকখানার মেঝেতে মহিলার প্রাণহীন দেহ চিৎ হয়ে পড়ে। পরনে ঘরের পোশাক। নাম…

ব্যারাকপুর সদরবাজার মুচিমহলে আয়োজিত অভিনব ইফতার পার্টি

অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এই এক মাসের রোজা রাখার শেষ মুহূর্তে এমনই করেই মগরিবের আজান হওয়ার পর রোজার ভাঙ্গার সময়কে বলা হয় “ইফতারি” আর তখনই নানান খাদ্য ভাগ করে একত্রীত হয়ে খাওয়ার চল বছরের পর বছর ধরে চালু  সেখানেই দেখা যায় নানা স্থানে ইফতার পার্টির আয়োজন। যেখানে নানা সময় হাজির থাকেন নানা নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে এলাকার গণ্যমান্য বাক্তিত্বরা। এমনই এক ইনফতার পার্টির আয়োজন হয়ে ১০ই জুন, রবিবার ব্যারাকপুর সদরবাজার মুচিমহলে বাল্মীকি ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবে এই ইফতার পার্টিতে রোজা ভাঙ্গার সময় একত্রীত হওয়া নয়, বা রোজা…

স্নেহেতার জন্য রক্তদান

অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ সমাজে সঙ্ঘবদ্ধ মানুষ দৃঢ় সংকল্পে আসীন থাকলেই যে সব সময়ই সাফল্যের চুড়ায় উঠতে পারে, তারই জ্বলন্ত উদাহরণ দেখা গেল ব্যারাকপুর মহকুমার মুক্তপুকুর এলাকায়। এক দল মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে গত ১৬ বছরই একই ব্রতে ব্রতি হয়ে করে চলেছে মানব সেবা। মানুষের ডাক্তার দরকার হয় সব সময়ই, তাই শুধু মাত্র ২০টাকার বিনিময় এই কটি মানুষই দিয়ে চলেছেন সকলের জন্য ডাক্তারি সেবা। কার বাড়ীতে কার ছেলে বা মেয়ে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, রক্ত না পেলে জীবন আক্রান্ত হতে পারে। এই মানুষগুলো জানতে পারলেই সেই রক্ত নির্দ্বিধায় পেয়ে যাবে সেই আক্রান্তের পরিবার।…

উচ্চমাধ্যমিকে আবারও জয়জয়কার জেলার, প্রথম জলপাইগুড়ির গ্রন্থন

অরিন্দম রায় চৌধুরী, কলকাতাঃ আবারও জেলাগুলি উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফলকে নিয়ন্ত্রণ করলো, সমগ্র জেলাগুলি ভাল ফল করায় বোঝাই যাচ্ছে সমগ্র পশ্চিমবাংলায় শিক্ষার অবস্থান কোন পর্যায় এই মুহূর্তে আসীন। প্রতি বছর যেমন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা ভাল ফল করে এসেছে কিন্তু এবছরের উচ্চমাধ্যমিকে সকলকে অবাক করে প্রথম স্থানটি অধিকার করেছেন কলা বিভাগের গ্রন্থন সেনগুপ্ত। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের গ্রন্থনের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬, শতাংশের বিচারে গ্রন্থন পেয়েছেন ৯৯.০২ শতাংশ নম্বর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ঋত্বিক কুমার সাহা। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক হ্যামিলটন হাইস্কুলের ছাত্র ঋত্বিকের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩ (৯৮.৬ শতাংশ)। উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয়স্থানটি অধিকার করেছেন বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের তিমিরবরণ…