পদ্মা সেতুর অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী

বেঙ্গলটুডে প্রতিনিধি, ঢাকাঃ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ শেষে ঢাকায় ফিরছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফেরার পথে হেলিকপ্টার থেকে স্বপ্নের পদ্মাসেতুর কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি। এসময় তাকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখা যায়। হেলিকপ্টার থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যার পদ্মাসেতু দেখার এ ছবি তুলেছেন ইলিয়াস রাসেল। তার একটি লেখা সহ সে ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কর্মরত ফটো সাংবাদিক ইয়াসিন কবির জয়। ওই পোস্টে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যাকে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, প্রমত্তা পদ্মায় গর্বিত এক বাংলাদেশ! বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মাসেতু। দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহলের হাজারও কূটপরিকল্পনা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে…

ভ্যান চালক বাবার স্বপ্ন পুরণের দৌড়ে বাপি

জয় চক্রবর্তী, বাগদাঃ বছর দেড়েক আগেও অ্যাথলেটিক্সের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল না। ভলিবল নিয়েই যাবতীয় উৎসাহ ছিল বাগদার এই কিশোরের। গত ৫ই আগস্ট, রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত রাজ্য অনুর্ধ ১৮ অ্যাথলেটিক্স মিটের ১০০ মিটার দৌড়ে বাপি শেখ এ বার প্রথম হয়েছে। গত রবিবার যুবভারতী তে এই দৌড়ে সময় নিয়েছে ১০.৯ সেকেন্ড। মাত্র দেড় বছরের মধ্যে রূপকথার মতো উত্থান সিন্দ্রাণীর বাসিন্দা ১৭ বছরের বাপি। সিন্দ্রাণী সাবিত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র সে। গত ৬ই আগস্ট, সোমবার স্কুলে তাকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়েছে। বাপি জানিয়েছে, সিনিয়র পর্যায়ে ১০০ মিটার দৌড়ে সে জাতীয় রেকর্ড…

শহিদ মাতাদিন বাল্মীকির প্রতি ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের শ্রদ্ধার্ঘ্য

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ ব্যারাকপুর শহর, ১৮৫৭ সালের ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ বা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রথম যুদ্ধের কথা বলে। অনেক গবেষকরা বেশ কয়েকটি বই এবং নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সময় এই নিয়ে। ১৮৫৭ সালের মহান ঘটনার অনেক ঘটনা এবং দিক গুলি ইতোমধ্যে গভীরভাবে আলোচনাও করা হয়েছে নানা স্থানে নানা সময়। আমাদের উদ্দেশ্য বিদ্রোহ সম্পর্কে সুপরিচিত বিবরণ পুনরাবৃত্তি করা হয় না। অনেকেরই হয়তো অজানা দলিত সম্প্রদায়ের একজন সাফাই কর্মীর সাথে সম্পর্কিত দমদম অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরী থেকে ছড়িয়ে পড়া ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি ঘটনার প্রতি সকলের মনোযোগ আকর্ষণের করা। এটি এখন একটি…

বাঙ্গালি বাবুর টানে ভিন রাজ্য থেকে স্বামীর ঘরে ফিরলো স্ত্রি

  শান্তনু বিশ্বাস, হাবড়াঃ ৬ বছর আগে কর্মসুত্রে হাবড়া টুনিঘাটার বাসিন্দা মানিক বিশ্বাস আসামসোলে বার্নপুর এলাকায় পরিচয় হয় অশ্বিনী শুক্লের (২২) সাথে এবং তারা একে অপর কে প্রচন্দ ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু তার পরে শুরু হয় বিপদ, মেয়ের বাড়ি এই সম্পরক মেনে নিতে চায়নি। কারন হিসাবে ব্যাখ্যা দারকরিয়ে ছিল, “ছেলের জাত তফশীল ও মেয়ে জাত ব্রাবন”। কর্মসুত্রে মেয়ের বাবা আসামসোল থাকতেন। মেয়ের পরিবার অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে মেয়েকে, কিন্তু সে বেঁকে বসে। মানিক ও অশ্বিনী বিপদ বুঝতে পেরে ২৫শে মার্চ ২০১৭ রেজিষ্টি করে ফেলে। জানা গিয়েছে, মেয়ের আদী-বাড়ি উওর প্রদেশের গোঁড়া…

পরিবেশ বান্ধব ব্যারাকপুর ট্র্যাফিক গার্ড

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ সেই আদ্যিকালে পৃথিবীর বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড ছিল প্রচুর, অক্সিজেন ছিল কম। তাই প্রাণের বিকাশ মূলতঃ হচ্ছিল ডাঙায় নয়, জলে। সালোকসংশ্লেষ বা ‘ফোটো-সিন্থেসিস’ এর এই প্রক্রিয়ায় গাছ বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাস্প থেকে নিজের খাদ্য গ্লুকোজ তৈরি করে ও বাতাসে অক্সিজেন ছেড়ে দেয়। এই প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় সূর্যের আলো আর অনুঘটক বা ‘ক্যাটালিস্ট’ হিসেবে কাজ করে সবুজ পাতার ক্লোরোফিল। এই গাছপালাই ধীরে ধীরে ফোটো-সিন্থেসিসের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড কমিয়ে ও অক্সিজেন বাড়িয়ে ডাঙায় অক্সিজেন-নির্ভর প্রাণী, যেমন স্তন্যপায়ী বা ‘ম্যামাল’দের সৃষ্টি হবার রাস্তা খুলে দিয়েছিল।…

অপহরণ না প্রেম প্রনয়ের ঘটনা? চলছে তদন্ত!

  শান্তনু বিশ্বাস, দেগঙ্গাঃ উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা থানার দেবালয়ের নন্দীপাড়া থেকে এক গৃহবধূ কে অপহরণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে হিউম্যান রাইটস্ এর দ্বারস্থ পরিবার। পরিবার সুত্রে জানা যায় যে, বছর ৬য়েক আগে দেগঙ্গার আবুতাহের মণ্ডলের মেয়ে পারভিনা বিবির বিয়ে হয় পার্শবর্তী মাটিয়া থানার কেঁদুয়া গ্রামের বাকিবিল্লা নামের এক যুবকের সঙ্গে। ৬ বছরের সংসারে তাদের একটি ছোট্ট সন্তান ও আছে। গত কয়েক মাস আগে পারভিনা বিবি তার বাপের বাড়িতে ঘুরতে আসে। ঘুরতে আসার পর নন্দীপাড়ার বাসিন্দা খাদিজা বিবির সাহায্য, মাটিয়ার কেঁদুয়া গ্রামের আনারুল মণ্ডল ওরফে…

সাবধান!! এবার ব্যারাকপুরে জনস্থলে ধূমপান করলে জরিমানা

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ জেনে রাখা ভাল যে গ্যাটস-২(GATS-2)-এর তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ৩৩.৫% যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ২.৩ কোটি, কোনও না কোনও উপায়ে তামাক ব্যবহার করে এবং ১.৫ লক্ষ লোক প্রতিবছর এর কারণে মারা যায়। দেখা গেছে যে ৪২ টিরও বেশি শিশু প্রতিদিন পশ্চিমবঙ্গে তামাক খাওয়া শুরু করে। অপরদিকে ২০০৩ সালে সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্য আইন (COTPA 2003) জনস্থানে ধূমপান, প্রত্যক্ষ/পরোক্ষ বিজ্ঞাপন এবং প্রচার, ১৮ বছরের কম বয়সীদের কাছে/দ্বারা বিক্রয়, স্কুলের ১০০ গজের মধ্যে বিক্রয় এবং বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ ছাড়া তামাকজাত পণ্যের বিক্রয় নিষিদ্ধ করে। এবার…

একে অপরের প্রতি হিংসা, দ্বেষ ও ঘৃণা বর্তমানে কি ছাত্রমনে দানা বাধছে?

  শান্তনু বিশ্বাস, হাবড়াঃ স্কুল থেকে সাধারণত ছাত্র-ছাত্রীরা পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি একান্নবর্তীতা, সামাজিক বোধ, বন্ধুত্বর মত নানান নৈতিক শিক্ষা লাভ করে থাকে। কিন্তু বর্তমানে ইঁদুর দৌড়ের এই প্রতিযোগিতার দিনে ছোট্ট থেকেই অভিভাবকদের অবিরাম চাপ যে ছাত্রমনে বিকৃতির উদ্র্বেক করছে তা বলাই বাহুল্য। বর্তমানে অভিভাবকরা সেই ছোট্ট থেকেই তাদের সন্তানদের শিক্ষা দিচ্ছেন যাতে তার পাশের ছাত্র বা ছাত্রীর থেকে তাকে বেশী নম্বর পেতে হবে। অযথা এই চাপের ফলে তার আশপাশের মানুষের কথা না ভেবে নিজের কি ভাবে ভাল হবে তাই ভাবতে শিখতে বাধ্য হচ্ছে বর্তমানের প্রজন্ম। আর তা না হলেই পাশের ছাত্র…

গত ১ মাস ধরে মিড ডে মিল-এ অচল রয়েছে জলের ব্যাবস্থা, আজ পর্যন্ত হয়নি মেরামত, অভিযোগের তির প্রশাসনের দিকে

পল মৈত্র, দক্ষিণ দিনাজপুরঃ প্রায় এক মাস ধরে বিকল হয়ে রয়েছে স্কুলের একমাত্র মার্ক টু টিউবওয়েল। ফলে জলের অভাবে বন্ধ হয়ে রয়েছে মিড ডে মিল থেকে শুরু করে স্কুলের অন্যান্য কাজকর্ম। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হরিরামপুর ব্লকের বৈরহাট্টা গ্রাম পঞ্চায়েতের মহেন্দ্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঘটনা। বারবার BDO এবং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কে বিষয়টি জানানোর পরও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ স্কুলের প্রধান শিক্ষকের। মিড ডে মিল বন্ধ থাকার কারণে স্কুলে দিন দিন কমছে পড়ুয়ার সংখ্যা। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন গঙ্গারামপুরের মহকুমা শাসক দেবাঞ্জন রায়। এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সংখ্যা মোট ৮৫। সেখানে…

পেশির ডিস্ট্রিফামির রোগে আক্রান্ত সঙ্গম বর্তামানে স্বাভাবিক ভাবে হাটতে সক্ষম

  অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ সাধারণত পেশির যথোপযুক্ত পুষ্টির অভাবে যে সকল রোগের উৎপত্তি হয়ে থাকে সেই ব্যাপারে খুব কমই ধারনা বা সচেতনতা থাকে মানুষের। আমাদের দেশের ছোট্ট ছোট্ট শহর বা গ্রামীণ অঞ্চলে এই ব্যাপারে তো আরও ধারনা কম। অনেকাংশেই দেখা যায় রুগীর পরিবার রোগটি সম্পর্কে থাকেন সম্পূর্ণ অজ্ঞ, তারা ভাবেন হয়তো শিশুটির পোলিও হয়েছে। এমনকি অনেক সময় টোটকা কোন ঔষধের সরনাপন্য হন এবং ভাবেন শিশুটি শুস্থ্য হয়ে যাবে। কিন্তু এ যে আর পোলিও নয়, শুধুমাত্র পেশির যথোপযুক্ত পুষ্টির অভাবে এই রোগ হয়েছে তা বুঝতেই পারে না। এই ক্ষেত্রে নবি মুম্বাইয়ের…