বাংলাদেশে সরকারের ধারাবাহিকতায় সমৃদ্ধি সম্ভব, প্রমাণ করেছি : বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বেঙ্গলটুডে প্রতিনিধি, ঢাকা:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছিলাম, ৫ বছর চালিয়েছি। ২০১৪ সালে সরকার গঠন করে আবার জয়ী হয়ে ক্ষমতায় এসেছি বলেই ৯ বছরে বাংলাদেশ উন্নতি করতে পেরেছে। সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে আর আন্তরিকতা থাকলে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করা যেতে পারে আমরা তা কিন্তু প্রমাণ করেছিও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার ধরলা নদীর ওপর ‘শেখ হাসিনা ধরলা সেতু’ উদ্বোধনের আগে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ৩ রা জুন সকালে ভিডিও কনফারেন্সে এই সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের নামের ওই সেতুকে ‘ঈদুল ফিতরের উপহার’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও রংপুর অঞ্চলের মানুষের জন্য এই সেতুটি আমার পক্ষ থেকে ঈদের উপহার হিসেবে নেবেন। আপনারা এই সেতু রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, দেখেশুনে রাখবেন। এই সেতুর ফলে এ এলাকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার হবে। মানুষের যোগাযোগ অনেক সহজ হয়ে উঠবে। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট থেকে শুরু করে আপনাদের রংপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার। উৎপাদন বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আবার ধরলা-ব্রহ্মপুত্র থেকে শুরু করে দেশের নদীগুলোর ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্ষাকালে যাতে এসব নদী বেশি পানিধারণ করতে পারে, যাতে বন্যা না হয়, সেজন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি। একসময় উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হতো, এখন সে সমস্যা কেটে গেছে। যে জমিতে একবার ফসল হতো, সেটি দো-ফসলি হয়েছে। খাদ্য ও সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এরপরে বিআইডব্লিউটিসির চারটি ১৫৮ টিইইউ সেলফ প্রোপেল্ড মাল্টিপারপাস ইনল্যান্ড কন্টেইনারবাহী জাহাজ, মুন্সিগঞ্জ-গজারিয়া ফেরি সার্ভিস এবং বিআইডব্লিউটিএর চারটি আট ইঞ্চি কাটার সাকশন এম্ফিবিয়ান ড্রেজার উদ্বোধন।

নদীর নাব্যতা রক্ষার উপর জোর দিয়ে এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদী না থাকলে বাংলাদেশর ওপর বিপর্যয় নেমে আসবে। নদীভাঙন রোধে বালুমহালের জায়গা স্থানান্তরের নির্দেশও দেন তিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ