বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮.৬ কোটি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিজান রহমান, ঢাকা:

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর দেওয়া তথ্য মতে, গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৮ কোটি ৪৫ লাখ এবং এপ্রিলে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ৫৯ লাখে। ব্যবহারকারীদের এ সংখ্যার অধিকাংশই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৭ কোটি ৮৭ লাখ। যা পরবর্তী মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৮ কোটি ১ লাখে । বাকীরা ক্যাবল সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। গত মার্চে এ সংখ্যা ছিলো ৫৬ লাখ ৬০ হাজার এবং এপ্রিল মাসে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬ লাখ ৬৮ হাজারে।

এছাড়া গত এপ্রিল মাসে ওয়াইম্যাং সংযোগের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হচ্ছেন প্রায় ৮৭ হাজার। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট আইন- ২০১৮’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২৮ শে মে সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অর্ডিন্যান্স- ১৯৮৫ সংশোধন করে নতুন আইনে নিয়ে আসা হয়েছে। আইনে বড় কোনও পরিবর্তন নেই, তবে শাস্তিগুলো বাড়ানো হয়েছে। লাইসেন্স ছাড়া স্ট্যান্ডার্ড মার্ক (বাটখারা) ব্যবহার করলে আগের আইনে ৬ মাস জেল ও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা থাকলেও এবার শাস্তি বেড়েছে অনধিক ২ বছর, আর অনাদায়ে জরিমানা রাখা হয়েছে অনধিক ১ লাখ টাকা বা উভয় দন্ড। তবে ২৫ হাজার টাকার নিচে নয়। নিবন্ধন ছাড়া মার্ক ব্যবহার করলে বাজেয়াপ্ত করার আইনও রাখা হয়েছে খসড়ায়।

এমনকি নিষিদ্ধ পণ্য রপ্তানি করলে আগের আইনে অর্থদন্ড সহ ১ বছর কারাদন্ড বা উভয় দন্ড ছিল। নতুন আইনে ১ বছর কারাদন্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকার নিচে জরিমানা করা যাবে না। কতিপয় পণ্য বিতরণ, বিক্রি, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন করলে আগের আইনে ৪ বছরের শাস্তির সঙ্গে জরিমানা ১ লাখ টাকার (কমপক্ষে ৭ হাজার টাকা) পরিবর্তে নতুন আইনে ৪ বছরের শাস্তির সঙ্গে অনধিক ২ লাখ টাকা (৫০ হাজার টাকার নিচে নয়) জরিমানা বা উভয় দন্ড রাখা হয়েছে।

এছাড়া (অপরাধ) আইনের কোনও ধারার আওতায় না এলে সেটি কমন ধারায় (অন্যান্য অপরাধ) বিচার করা যাবে। এজন্য অনধিক ১ লাখ টাকা (২৫ হাজার টাকার নিচে নয়) জরিমানা করা হবে। আগে সেটি ৫ হাজার টাকার জরিমানা ছিল। একই অপরাধ দ্বিতীয়বার করলে দ্বিগুণ শাস্তি হবে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সাধারণ অপরাধের বিচারগুলো সাধারণ আদালতে এবং দ্বিগুণ অপরাধের বিচার হবে দায়রা আদালতে। এবং আদেশ প্রাপ্তির ৩ মাসের মধ্যে অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ফি দিয়ে আপিল করা যাবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment