সাংবাদিক সম্মেলনে আদিবাসী সামাজিক সংগঠন

সাংবাদিক সম্মেলনে আদিবাসী সামাজিক সংগঠন

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

জঙ্গলমহলের আদিবাসী মানুষজন রাজ্য সরকারের পাশে রয়েছে। আদিবাসী সামাজিক সংগঠনের কেউ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না। আদিবাসী সমাজের মানুষজন রাজ্য সরকারের পাশে আছে। যারা সরকার বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে তারা সামাজিক সংগঠনের কেউ নয়। আজ যারা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে রাজ্য সরকারের বিরোধিতা করছে এরা ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করছে কোন রাজনৈতিক দলের মদতে। সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে আদিবাসীদের জমি এবং অস্তিত্ব বিপন্ন। দেশের এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে গনতান্ত্রিক পরিবেশে আদিবাসীদের ভাষা সহ বিভিন্ন আধিকার সুনিশ্চিত করেছে রাজ্য সরকার।

জঙ্গলমহলের আদিবাসী মানুষজন রাজ্য সরকারের পাশে রয়েছে। ২৭শে মে আদিবাসীদের সর্বোচ্চ সামাজিক সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি মাডোয়ার যুব সংগঠন ভারত জাকাত মাঝি মাডোয়া জুয়ান গাঁওতার সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রবীর মুর্মু এক সাংবাদিক বৈঠক করে এ কথা সাফ সাফ জানিয়েদেন। এবার পঞ্চায়েত ভোটে বেলপাহাড়ি তথা বিনপুর এক ব্লকে আদিবাসীদের একাংশ আদিবাসী সমন্বয় মঞ্চ গড়ে বেশ কিছু আসনে নির্দল প্রার্থী দিয়েছে। তারা দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতে সাংখ্য গরিষ্ঠতা পেয়েছে। বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছে। জঙ্গল মহলে আদিবাসীদের বঞ্চনা করছে সরকার এমন অভিযোগও তারা তুলেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে আদিবাসী সামাজিক যুব সংগঠনের পক্ষ থকে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলা হয়েছে বর্তমান রাজ্য সরকার ঝাড়গ্রাম তথা
জঙ্গলমহলে সাঁওতালি ভাষার স্বীকৃতি সহ সামাজিক উন্নয়নে প্রভূত কাজ করেছে। তাদের যে টুকু দাবি দাওয়া আছে তা তারা রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মেটাতে চায়। সেই ক্ষেত্রে আন্দোলন বা ভোটে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করার পক্ষে তারা নন। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে ভারত জাকাত মাঝি মাডোয়া জুয়ান গাঁতার পক্ষ থেকে তাদের প্রতিনিধিরা পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন ২০০৮ সালের পর থেকে সাঁওতালি ভাষার স্বীকৃতি সহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিভিন্ন সামাজিক খাতে বর্তমান রাজ্য সরকার যে উন্নয়ন করেছে তাতে আদিবাসী সমাজের আস্থা রয়েছে রাজ্য সরকারের উপর। তাই সামগ্রীকভাবে আদিবাসী সমাজ রাজ্য সরকারের পাশে আছে। আলোচনার মাধ্যমে তারা অন্যান্য দাবি মেটাতে চান।

ভারত জাকাত মাঝা মাডোয়া জুয়ান গাঁওতার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রবীর মুর্মু বলেন, “আদিবাসী সামাজ রাজ্য সরকারের পাশে আছে। যারা ভোটে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করছে তারা সামাজিক সংগঠনের কেউ নন। তারা বিচ্ছিন্নভাবে ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কোন রাজনৈতিক দলের মদতে এই সব করছেন। আদিবাসী মানুষজনের রাজ্য সরকারের প্রতি আস্থা রয়েছে।” এদিন সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কোষাধক্ষ্য কার্তিক চন্দ্র সোরেন, সদস্য অর্জুন মুর্মু, শ্রীবাস মুর্মু, স্বরুপ মান্ডি। সহ প্রমুখ।

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *