ফের ঝাড়গ্রামে ট্যারানটুলার আতঙ্ক

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

নয়াগ্রামের পর এবারে ফের ঝাড়গ্রাম জেলায় নতুন করে ট্যারানটুলা নামক বিষাক্ত মাকড়সার আতঙ্ক ছড়ালো জাম্বনী ব্লকের ধড়শা অঞ্চলের অস্থাপাড়া এলাকার খুকড়াখুপি গ্রামে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২৫ শে মে রাতে খুকড়াখুপি গ্রামের বাসিন্দা পীযুষ কান্তি মান্ডি খাওয়া দাওয়ার পর রাত সাড়ে ১০ টা নাগাদ বাড়ীতে ঘুমাতে যান। সেই সময় তার পরিবারের লোকজনেরা বাড়ীর দেওয়ালে এই অদ্ভুত ধরনের মাকড়সাটিকে দেখতে পায়। এরপর পীযূষ বাবু ওই মাকড়সাটিকে একটি জারের মধ্যে ঢুকিয়ে বন্ধ করে রাখেন। তবে সকালে জারের মধ্যে থাকা অবস্থায় মাকড়সাটি মারা যায়।

অন্যদিকে গোপীবল্লভপুর এক ব্লকের কুলিয়ানা গ্রামের বাসিন্দা রঞ্জন শতপথীর বাড়ী থেকে একটি ট্যারানটুলা দেখতে পান বাড়ীর লোকজনেরা। এরপরেই ওই বিষাক্ত মাকড়সাটিকে জারের মধ্যে ঢুকিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়। পরে বনদফরের কর্মীদের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে বনদফতরের কর্মীরা এসে বিষাক্ত মাকড়সাটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পরীক্ষা করার জন্য।

ইতিমধ্যে একের পর এক বিষাক্ত মাকড়সা উদ্ধার হওয়ায় গোটা জেলা জুড়ে মনুষজনের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য গত ২০ শে মে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম থানার রাজপাহাড়ী গ্রামের বাসিন্দা যশোদ জানা বিষাক্ত মাকড়সার কামড় খেয়ে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে গোপীবল্লভপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে যশোদা দেবীর দুদিন ধরে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল বিভাগে চিকিৎসা চলার পর ২২ শে মে তাঁকে ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। আপাতত যশোদা দেবীর ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে সাম্প্রতি গত দু মাসে আগে সাঁকরাইল ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় এই অদ্ভুত ধরনের মাকড়া পাওয়া যাচ্ছিল। অনেক জায়গায় গ্রামবাসীরা মাকড়সা গুলিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আবার কোথাও বা বনদফতরের হাতে তুলে দিয়েছে। যদিও বনদফতর জানিয়েছিল ভয়ের কোনও কারণ নেই। গ্রীষ্মের সময় বিভিন্ন ধরনের মাকড়সার দেখতে পাওয়া যায়। সাবধানে থাকলে ভয়ের কোনও কারন নেই।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment