পৌর এলাকায় পরিকল্পনা হীন কাজ

পৌর এলাকায় পরিকল্পনা হীন কাজ

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

নতুন করে নালা ঝালাই, সংস্কার, নতুন নিকাশি নালা তৈরী করার কাজ চলছে। কিন্তু পুর সভা পরিকল্পনাবিহীনভাবে উন্নয়নের কাজ করার জন্য নিকাশি নালা গুলি আগে যে তিমীরে ছিল সেই তিমীরেই রয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ শহরবাসীর। এছাড়াও শহরবাসীর অভিযোগ কাজ এমনভাবে করা হয়েছে তাতে মানুষের সমস্যা আরও বেশি করে বাড়ছে। শহরে বিভিন্ন জায়গায় নিকাশি সমস্য দূর করার জন্য ওয়ার্ড গুলিতে লক্ষাধিক অর্থ ব্যয় করে ঢালাই রাস্তা এবং পাকা ড্রেন হচ্ছে। অভিযোগ, কোন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ না কারার জন্য ঢালাই নালা গুলি থেকে নোংরা জল উপচে পিচ রাস্তার উপর চলে আসছে।ফলে সেই আবর্জনা ,নোংরা মিশ্রিত জল পেরিয়ে স্থানীয়েদের রাস্তা পারাপার করতে হয় এবং পিচ রাস্তার উপরে এই নোংরা জলের উপর দিয়েই চলছে যানবাহন। যেখানে নির্মল বাংলা অভিযানে শহর পরিস্কার রাখার কথা সেখানে নোংরা দূষিত জল রাস্তায় জমছে এবং তার ফলে অসুখ ছাড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অপরদিকে ঝাড়গ্রাম শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবা এলাকায় ড্রেনের জল এই ভাবেই রাস্তার উপর দিয়ে বয়ে চলছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য মাস খানেক আগে দুই নম্বর ওয়ার্ড বাছুরডোবার পাড়র ভিতরে কংক্রিটের ঢালাই রাস্তা হয়েছে। আর নিকাশির জন্য এই রাস্তার পাশে ঢালাই ড্রেন তৈরি হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ পরিকল্পনা ছাড়াই নির্মিত হয়েছে নালাটি। নালাটির কোন হাই ড্রেনের সঙ্গে সংযোগ নেই। ফলে রাস্তার ধারে বিভিন্ন বাড়ির নোংরা জল ওই ড্রেনে পড়ে উপচে গিয়ে সেবায়তন যাওয়ার পিচ রাস্তার উপর গিয়ে জমছে। জল জমে রাস্তার ধারে ছোট খাট ডোবার মতো তৈরি হয়েছে। পুঁতি গন্দময় নোংরা,দূষিত জল থেকে এলাকায় অসুখ বা সংক্রমন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানিয়রা। যেখানে ম্যালেরিয়, ডঙ্গু ঠেকাতে জমা জল না রাখার জন্য স্বাস্থ্য দফতর প্রচার চালাচ্ছে সেখানে খোদ শহরের বুকে রাস্তার উপর ড্রেনের নোংরা জল জমে রয়েছে দিনের পর দিন।

এই বিষয়ে ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কল্লোল তফাদার বলেন, “বাছুরডোবার ওই ঢালাই রস্তা এবং রাস্তার ধারে নিকাশি নালাটি সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে। জল যাওয়ার জন্য এখনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। আর্থিক অনুমোদন মিললেই হাই ড্রেন তৈরি করা হবে এবং তখন ওই নিকাশি ড্রনটির সঙ্গে সংযোগ করা হবে। এখন যে রাস্তায় জল জমছে তা আটকানোর জন্য রাস্তার ধারে কাঁচা নালা কাটানোর ব্যবস্থা করব।”

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *