ফের ট্যারানুটলার আক্রমণ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

ট্যারানুটলা নামক বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে মৃত্যু হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার বাসিন্দার এক যুবকের। আর তার পর থেকে একটু আলাদা মোটা বা অদ্ভুত ধরনের মাকড়সা দেখলেই আতঙ্ক তৈরী হচ্ছে মানুষের মনে। গত ২০ শে মে ঝাড়গ্রাম জেলার নয়াগ্রাম থানার রাজপাহাড়ী গ্রামের বাসিন্দা যশোদ জানা বিষাক্ত মাকড়সার কামড় খেয়ে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে নয়াগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়। সেখানে যশোদা দেবীর দুদিন ধরে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল বিভাগে চিকিৎসা চলার পর গত ২২ শে মে তাঁকে ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আপাতত যশোদা দেবী ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, যশোদা দেবীর বাঁ হাতের বহুতে একাধিক জায়গায় বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ের দাগ রয়েছে। বিষাক্ত মাকড়সাটিকে গ্রামবাসীরা সাথে করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। তবে মকড়সাটি দেখার পরেই আবার গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য সাম্প্রতি গত দু মাসে আগে সাঁকরাইল ব্লকের বিভিন্ন জায়গায় এই অদ্ভুত ধরনের মাকড়া পাওয়া যাচ্ছিল। অনেক জায়গায় গ্রামবাসীরা মাকড়সা গুলিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আবার কোথাও বা বনদফতরের হাতে তুলে দিয়েছে। যদিও বনদফতর জানিয়েছিল ভয়ের কোনও কারণ নেই। গ্রীষ্মের সময় বিভিন্ন ধরনের মাকড়সার দেখা পাওয়া যায়। সাবধানে থাকলে ভয়ের কোনও কারন নেই।

নয়াগ্রাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সুপার শুভঙ্কর কয়াল বলেন, প্রচুর যন্ত্রনা নিয়ে ২০ শে মে যশোদা দেবী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। এখন চিকিৎসা হওয়ার পর আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা যাতে ওই মহিলা পান তার জন্য আমরা জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠিয়েছি। তবে ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন জায়গায় ট্যারানুটলা বা বিষাক্ত মাকড়সার দেখা মিললেও এখনো পর্যন্ত কোন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

সম্পর্কিত সংবাদ