পড়াতে বসে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, গণপ্রহার শিক্ষককে

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গল টুডেঃ

১৫ই মে উত্তর ২৪ পরগণার শ্যামনগর অবন্তীপুর মণ্ডলপাড়ায় পড়াতে গিয়ে নাবালিকা ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে। তাকে বেধড়ক মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ছাত্রীর পরিবার সহ স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে ধর্ষণের চেষ্টার কথা স্বীকার করেনি অভিযুক্ত।

জানা যায়, বছরখানেক ধরে ক্লাস ফাইভের ছাত্রী ও তার ভাইকে পড়ায় BRS কলোনির বাসিন্দা অঞ্জন (নাম পরিবর্তিত)। প্রতিদিনের মতো আজও সকাল ৮টা নাগাদ পড়াতে যায় সে। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, ছেলেটিকে দোকানে পেন কিনতে পাঠিয়ে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেয় অঞ্জন। তারপর ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। চিৎকার শুনে পড়ার ঘরে আসেন বাড়ির লোকজন। তারা হাতেনাতে ধরে ফেলে শিক্ষককে।

এরপর ঘটনা চাউর হতে সময় লাগেনি। অভিযুক্ত শিক্ষককে শাস্তি দিতে বাড়িতে জড়ো হন প্রতিবেশীরা। শুরু হয় জেরা। পাশাপাশি অভিযুক্ত শিক্ষকে মারধরও করা হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় জামা। অসুস্থ হয়ে পড়ে অঞ্জন। এমনকি সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করে স্থানীয়রা। এর দরুন একজনকে বলতে শোনা যায়, “বল বল কী করেছিস। এই দেখ হাতে বাঁশ আছে। স্বীকার না করলে বাঁশপেটা করব। বল, কতদিন ধরে এসব করছিস।” উত্তরে অঞ্জন বলে, “আমি গায়ে হাত দিয়েছি।” তখন সামনে থেকে একজন বলে, “বল যৌন নিগ্রহ করেছিল। বল..”। এরপরই মাটিতে পড়ে যায় অঞ্জন।

মূলত একঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওই বাড়িতে আটক রাখা হয় অঞ্জনকে। যদিও খবর পেয়ে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছান জগদ্দল থানার পুলিশ এবং স্থানীয়দের থেকে উদ্ধার করে তারা তাকে থানায় নিয়ে যায়।

ছাত্রীর পরিবারের বক্তব্য, কুকীর্তির কথা স্বীকার করে নিয়েছে অঞ্জন। বছরখানেক ধরে তাদের বাড়িতে পড়াতে আসে। এর আগে কোনওদিন এরকম হয়নি। তাদের তরফে জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দোষীর শাস্তি চায় তারা। বর্তমানে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment