আইএসসি’তে প্রথম পানিহাটির কৌশিকী

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অরিন্দম রায় চৌধুরী, বেঙ্গল টুডেঃ

১৪ই মে প্রকাশিত হয় আইএসসি পরীক্ষার দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল। আর এই সর্বভারতীয় পরীক্ষায় আবারও নজরকাড়া সাফল্য রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের। আইএসসি পরীক্ষায় দেশের মধ্যে প্রথম পানিহাটির সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী কৌশিকী দাশগুপ্ত চৌধুরী। সে ছাড়াও মেধা তালিকায় রয়েছে রাজ্যের একঝাঁক ছাত্রছাত্রী।

ভিনরাজ্যের আরও ৬ জন পরীক্ষার্থীর সঙ্গে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছে কৌশিকী। তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৯.৫০ শতাংশ। মোট ১৭ জন পরীক্ষার্থী সর্বভারতীয় স্তরে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। তাদের মধ্যে রয়েছে ব্যারাকপুরের মডার্ন ইংলিশ অ্যাকাডেমির জয়দীপ বসু, লিলুয়ার ডন বস্কো স্কুলের ঋষভ জালান এবং কলকাতার মডার্ন হাই স্কুল ফর গার্লসের অস্মিতা সরকার। এরা প্রত্যেকেই ৯৯.২৫ শতাংশ করে নম্বর পেয়েছে। ২৫ জন তৃতীয় স্থানাধিকারীর মধ্যে ৫ জন এ রাজ্যের।


কলকাতার গার্ডেন হাই স্কুলের ছাত্র আদিত্য পাল, লা মার্টিনিয়ার ফর গার্লস স্কুলের ছাত্রী সুমেধা ঘোষ, শিলিগুড়ির ডন বস্কো স্কুলের ছাত্র আমন চৌধুরি, পার্ক সার্কাসের ডন বস্কো স্কুলের ছাত্র আর্যমান জৈন এবং মর্ডান হাই স্কুল ফর গার্লসের ছাত্রী দিভীষা জয়সওয়াল। তাঁদের প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বর ৯৯ শতাংশ।

এ বছর আইসিএসই-তে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রথম নভী মুম্বইয়ের সেন্ট মেরি’জ স্কুলের ছাত্র স্বয়ম দাস। পেয়েছে ৯৯.৪০ শতাংশ। ৯৯.২০ শতাংশ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় জালন্ধর এবং মুম্বইয়ের দুই পরীক্ষার্থী। মোট ১২ জন পরীক্ষার্থী তৃতীয় হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছে কলকাতার দ্য হেরিটেজ স্কুলের স্পৃহা পাণ্ডে এবং দ্য আরিয়ান স্কুলের অনুরাগ ঘোষ। ২ জনেই ৯৯ শতাংশ নম্বর পেয়েছে।

প্রসঙ্গগত আইএসসি পরীক্ষার দ্বাদশ শ্রেণির প্রথম পানিহাটির সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলের ছাত্রী কৌশিকী দাশগুপ্ত চৌধুরী। তার বাবার নাম শেখর দাসগুপ্ত চৌধুরী। তিনি একজন পরিবহন দপ্তরের কর্মী এবং তার মা কলকাতার এন আর এস হাসপাতালের একজন নার্স। দ্বাদশ শ্রেনীতে তার বিষয় ছিল পদার্থ বিদ্যা,রসায়নবিদ্যা ও জীববিদ্যা। কৌশিকী জানায় সে ভবিষ্যতে আইআইটি’তে রসায়ন নিয়ে গবেষণা করতে চায়। তার কথায়, “ভাল ফল আশা করেছিলাম। কিন্তু প্রথম হব, এটা ভাবিনি। এর পিছনে স্কুলের শিক্ষকদের অবদান তো আছেই, আমার যে তিনজন গৃহশিক্ষক ছিলেন, তাঁরাও খুব সাহায্য করেছেন। ” সাফল্যের কারণ সম্পর্কে কৌশিকী বলে, “টেক্সট বই খুঁটিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছি। সাধারণত দিনে ৬/৭ ঘন্টা পড়তাম। পরীক্ষার আগে ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়াশোনা করেছিলাম। “

কৌশিকীর কথা থেকে আজ একটা কথাই স্পষ্ট যে আজকের বাঙালি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার ইদুর দৌড় থেকে বেড়িয়ে নতুন দিগন্তের দিকে অনেকটাই এগিয়ে চলেছে।

সম্পর্কিত সংবাদ