জাম্বনীর দলীয় সমাবেশে বিজেপি এবং নির্দল কে হুশিয়ারী দিলেন সুব্রত বক্সি

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রামঃ

জাম্বনীর বেলিয়ার দলীয় সমাবেশে বিজেপি এবং নির্দল কে হুশিয়ারী দিলেন সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক সুব্রত বক্সি।আগামী ১৪ ই মে নির্বাচনের পর একজনকেও খুঁজে পাওয়া যাবে না যারা তৃনমূল কর্মীদেরকে মারধোর বা অত্যাচার করে চলেছে।ভোটের পর তাদের সমস্ত হিসেব বুঝে নেওয়া হবে।

ভারতীয় জনতা পার্টি ভীত সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা করছে।৩৪ বছরে মার্কস বাদী কমিউনিস্ট পার্টি ভীত সন্ত্রস্ত করতে পারেনি।৩৪ দিন যাদের জন্ম হয়েছে তখন নির্বাচনের পর তাদের আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।তাই বলি ভীত সন্ত্রস্ত না হয়ে সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের উন্নয়নকে সামনে রেখে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীদের জয় যুক্ত করবেন।ঐক্যবদ্ধ হয়ে সবাইকে নিয়ে এক যোগ চলার বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সী।

বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি ব্লকে দুবড়া অঞ্চলের বেলিয়াতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের বিভিন্ন প্রার্থীদের হয়ে ভোট প্রচারে এসে সুব্রত বক্সী এ কথা বলেন। এদিন বেলিয়ার সভা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের সাংসদ উমা সোরেন,ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি,অনগ্রসর শ্রেনী কল্যান দফতরের মন্ত্রী চূড়ামনি মাহাতো,ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পান্ডে,ঝাড়গ্রাম জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি,জামবনি জেলাপরিষদের প্রার্থী দেবনাথ হাঁসদা সহ প্রমুখ।

সুব্রত বক্সী বলেন “কেউ কেউ বিজেপি পেশি শক্তি দিয়ে তৃণমূলকে দমানোর চেষ্টা করছে।আমাদের ভাষায় বলি মানুষ ৩৪ বছরের মার্কসবাদী কম্যুনিস্ট দের প্রশাসন দেখেছে। তিনি আরও বলেন তৃণমূলকে ব্যবহার করে ফুলে ফেঁপে উঠবেন তা হবে না। সারা রাজ্যের মানুষ দলটাকে পাহাড়া দিচ্ছে।দেশে এমন কোন রাজনৈতিক দল নেই যেখানে সমস্ত মানুষকে সন্তুষ্ট করতে পারে,দিতে পারে।রাজ্য,জেলা ,স্থানীয় স্তরে খামতি থাকতে পারে।পাঁচ লক্ষ মানুষ প্রার্থী পদের জন্য আবেদন করেছিল।সবার আশা পূর্ন হয় না।আমি বলব যারা প্রকৃত রাজনৈতিক কর্মী তাদের বলব বিভ্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়ান,তাদের চোখের জল মুছিয়ে দিন।অপমানিত,লাঞ্ছিত,অভিমানিত বোধ করলে দল তাদের দায়িত্ব নেবে।কিন্তু তা বলে দেখে নেবে হাত পা ছুড়েলে বলব দেখে নিন।পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর মানুষ আপনাদের প্রত্যখ্যান করবে।যত দিন গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানুষের সমর্থন তত বেড়েছে।”

সম্পর্কিত সংবাদ