বেলপাহাড়ীতে ভোট প্রচারে জয় ব্যানার্জী

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

“জঙ্গলমহল জুড়ে দেখতে পাচ্ছি বিজেপি বৈশাখী ঝড় চলছে। এই ঝড়কে পঞ্চায়েতের ভোট বাক্সে নিয়ে যেতে হবে। বিজেপিকে স্থাপন করতে হবে। গ্রাম হাসলে শহর হাসে। গ্রাম ভালো থাকেলে শহর ভালো থাকে। গ্রাম খুশি থাকলে শহর খুশি থাকে। পশ্চিমবঙ্গের তরতর করে উন্নতি হবে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সারা দেশ বাইশটি রাজ্য শান্তী এবং উন্নয়নের সাথে তরতর করে এগিয়ে চলেছে।”

৬ই মে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির উদ্যোগে বেলপাহাড়িতে ভোট প্রচারে এসে একথা বলেন বিজেপির রাজ্য নেতা তথা অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি এক রাজনৈতিক পথ সভায় পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে যোগ দিতে এসেছিলেন। এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে ঝাড়গ্রাম জেলার বেলপাহাড়িতে প্রথমে রোড শো এবং পরে একটি পথসভটি করেন জয় ব্যানার্জী। এবং দ্বিতীয়টি হয় ঝাড়গ্রাম ব্লকের রাধানগর এলাকায়।

বিজেপির অভিযোগ, ঝাড়গ্রাম ব্লকের বাঁধগোড়ায় দ্বিতীয় রোড শো এবং র‌্যালি হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ শেষ মুহুর্তে অনুমতি না দেওয়ার ফলে জায়গা পরিবর্তিত হয়ে রাধানগর করা হয়। এদিন বেলপাহাড়ির স্কুল মাঠ থেকে একটি হুট খোলা গাড়িতে চেপে বেলপাহাড়ি এলাকার গ্রামপঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের প্রার্থীদের নিয়ে রোড শো করেন রাজ্য বিজেপি নেতা তথা বাংলা চলচিত্রের অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলপাহাড়ির বাজার এলাকায় পথ পরিক্রমা করার পর বেলপাহাড়ির ইন্দিরাচক মোড়ে মাইক হাতে নিয়ে একটি পথ সভা করেন। তার সাথে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তুষার ঘোষ সহ বিভিন্ন প্রার্থীরা। জয় বাবু তাঁর প্রতিটি বক্তব্যে গ্রামের উন্নতির উপর জোর দেন। গ্রামের ভালো হলে নিশ্চিতভাবে শহর এবং প্রদেশের উন্নতি হবে। দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার ডাক দেন।

জয় বাবু তাঁর বক্তব্যে বলেন “আমি শুধু বলব আপনারা বেলপাহাড়ির পঞ্চায়েতটা বিজেপির হাতে দিন। আমরা আসব বিজয় মিছিল করতে। যারা আমাদের দেখেন নি, শোনেননি তখন তারা আমাদের দেখতে পারবেন শুনতেও পারবেন। এখন বৈশাখ মাস কাল বৈশাখী ঝড় ওঠে। জঙ্গলমহলে দেখতে পারছি বিজেপি বৈশাখী ঝড় চলছে।

তিনি আরও বলেন, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সারা দেশ বাইশটি রাজ্য শান্তী এবং উন্নয়নের সাথে তরতর করে এগিয়ে চলেছে। সেখানে পশ্চিম বাংলা পিছাতে পিছাতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। ভালো কাজে পিছিয়ে গিয়েছে আর খারাপ কাজে এগিয়ে এসেছে। গ্রাম হল মেরুদন্ড। গ্রাম ঠিক থাকলে শহর প্রদেশ ঠিক থাকে। আপনারা সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলেন। কি পেয়েছেন। আমি বলব শূন্য। যখন যার পঞ্চায়েত হয়েছে সেই সব দলের নেতা নেত্রীরা ফুলে ফেঁপে ঢোল হয়েছে। তারা কমিয়েছে। তাদের আত্মীয়স্বজনরা কামিয়েছে। বড় বড় বাড়ি হয়েছে,গাড়ি চেপেছে,কন্ট্রাকটরি হয়েছে। আর সাধারণ মানুষের অবস্থা দিনকে দিন খারাপ হচ্ছে। বিজেপি সততায় বিশ্বাস করে। এই যে আমারা বাছাই করে প্রার্থী দিয়েছি। আপনাদের জন্য ভালো ভাবে কাজ করার জন্য। এর সাথে এ কাথাও বলে যাচ্ছি যে সব প্রার্থী মানুষের ভোটে জিতবে মানুষের রায়ে জিতবে তারা যদি মানুষের কাজ না করে। মানুষের সুখ দুঃখের সঙ্গে না থাকে তারা যদি অন্যান্য দলের নেতা নেত্রীদের মতো নিজেদের আখের গোছানোর চেষ্টা করে তাকে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment