ঝাড়গ্রামের শালবনীতে ভোট প্রচারে রাহুল সিনহা

ঝাড়গ্রামের শালবনীতে ভোট প্রচারে রাহুল সিনহা

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

মুসলমান ঠকানোর রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রামকে মুছে রহিমকে প্রতিষ্ঠা করানোর চেষ্টা করছে। এটা বিজেপি থাকতে হতে দেব না। থাকলে রামও থাকবে রহিমও থাকবে। পুরির মন্দিরে গিয়ে ঢুকতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে ঘুরে এসেছেন। উনি মুসলিম না হিন্দু সেটাই বুঝতে পারেন না। এত যদি ইচ্ছা মমতা নামটা কেটে মমতাজ করে দিন। ৩রা মে ঝাড়গ্রাম জেলায় বিজেপির প্রার্থীর হয়ে ভোট প্রচারে এসে এভাবেই কটাক্ষ করলেন তৃণমূলকে।

এদিন ঝাড়গ্রাম জেলায় শালবনীর রাবণ ময়দানে বিজেপির এক এক জন সভায় যোগ দিতে এভাবেই আক্রমন করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক রাহুল সিনহা। এদিন রাজনৈতিক জনসভায় রাহুল সিনহা বলেন, নির্বাচন ঝুলে আছে হাইকোর্টে আর দিদি ঝুলে আছে নবান্নতে। এই নির্বাচন কবে হবে কেউ বলতে পারবে না। দিদি এখন দুটো জিনিসকে সব চেয়ে বেশি ভয় পায় এক পঞ্চায়েতে টিকিট পাচ্ছে না বলে তৃণমূলীরা এখন বিজেপি চলে যাচ্ছে। আর জয় শ্রী রাম বলবেন না। তিন দফায় ভোট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রমজান মাসের দোহায় দিয়ে এক দিন ভোট করাতে চাইছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প গুলিকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলছেন আমরা করছি। এই ভাবে চলতে পারে না। ২২ টা রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে। সারা ভারতবর্ষে মোদী ময় হয়ে গিয়েছে। ত্রিপুরাতে যেদিন বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেদিন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর ঘুম উড়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ১০ লক্ষ মানুষের চাকুরী দেওয়া হবে। আর এখন বলছেন তেলে ভাজার দোকান করুন। দিদি এখন পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বিরোধীদের সামলাচ্ছেন। উনি ২০ হাজার আসনে জেতার পরেও বিরোধীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। এত যদি কাজ হয়ে থাকে, উন্নয়ন হয়ে থাকে তাহলে এত কিসের ভয়।

এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তুষার ঘোষ, ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি সুখময় সতপথী, জেলা সাধারন সম্পাদক সঞ্জীত মাহাত সহ প্রমুখ। এদিনের এই জন সভায় জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কয়েকশো রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা বিজেপিতে যোগদান করেন।

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *