ঢাকায় কালবৈশাখী ঝড়, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মিজান রহমান, ঢাকা:

২২শে এপ্রিল সন্ধ্যায় ঢাকায় ভয়ংকর কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এতে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এদিন সন্ধ্যা ৬টার পর ১৫ মিনিটের আকস্মিক এ ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটারেরও বেশি ছিল বলে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ঝড়ে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া পূর্বাভাসের এক কর্মকর্তা বলেন, এদিন সন্ধ্যা ৬টার পরই ঢাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের সৃষ্টি হয়। এ সময় মহাখালী-আগারগাঁওসহ সংলগ্ন এলাকায় ঘণ্টায় ৮৩ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যায়। “এটি উত্তর-পশ্চিম থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।” এ মৌসুমে প্রতিদিন বিকালেই এ ধরনের ঝড় হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

বিষয়টি মাথায় রেখে সাবধানতা অবলম্বন করতে ঝড়ে ঢাকায় ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে, গুলশান-১, মিরপুর-১০, তেজগাঁওয়ের লাভ রোড, যাত্রাবাড়ী, ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ সহ রাজধানীর প্রায় অর্ধশত জায়গায় সড়কে গাছ পড়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়ায় দেওয়াল ধসের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়াও প্রতিদিনের সংবাদের অফিসের নিচে এক সাংবাদিকের মোটরসাইকেলের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে তা দুমড়েমুচড়ে গেছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক স্রেন্দ্র কর্মকার জানান, এপ্রিল-মে মাসে আবহাওয়া সাধারণত গরম থাকে। এ সময় বজ্রপাতের অনুকূল পরিবেশও তৈরি হয়। সে কারণে উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে কালবৈশাখীর আভাস পেলেই ঘণ্টাখানেকের জন্য আগাম পূর্বাভাস দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ