সাংবাদিকদের মহার্ঘ্য ভাতার প্রজ্ঞাপন শীঘ্রই: বাংলাদেশ তথ্যমন্ত্রী

সাংবাদিকদের মহার্ঘ্য ভাতার প্রজ্ঞাপন শীঘ্রই: বাংলাদেশ তথ্যমন্ত্রী

মিজান রহমান, ঢাকা:

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পরই ওয়েজবোর্ড কমিটি ঘোষিত মহার্ঘ্য ভাতা সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। ২১শে এপ্রিল রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এ কথা জানান তিনি। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ডিআরইউ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুকুর আলী শুভ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনো মূল্যে তারা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে। বিএনপি’কে নির্বাচনের বাইরে রাখতে কৌশলগতভাবে দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে- বিএনপির এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ইনু বলেন, ‘এ বিষয়ে আদালত সমাধান দিবে। তাই এই ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার নেই।’ নির্বাচনের সকল দায়দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর সরকারের কিছুই করার নেই। নির্বাচন পরিচালনায় নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতার পাশাপাশি সরকার ওই সময় গণতান্ত্রিক পন্থায় নিয়মিত কার্যাদি সম্পন্ন করবে।

বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, আদালতের রায়ে দন্ডিত কোন ব্যক্তির বিশেষ করে বেগম জিয়ার মুক্তির দাবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের শর্ত হলে সেই শর্তের ভিত্তিতে নির্বাচন হবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে রাজাকার, জঙ্গিবাদী, আগুন-সন্ত্রাসী ও তার সঙ্গী বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে হবে। এটা তাদের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ। তিনি বর্তমান সরকারের অর্জিত সাফল্যের বর্ণনা দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ আজ তার মূল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। অপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে আইনের শাসন এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সাথে জোট সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সহ আমাদের সকল কর্মসূচিতে একমত হওয়ায় আমরা তার সাথে জোটে থাকতে রাজি হই।’ প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কিত আরেক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাইবার অপরাধীদের আটকাতেই এ আইন হচ্ছে। সেখানে সাংবাদিকতার কণ্ঠরোধ করার মতো বিষয় যাতে না থাকে, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। সংবিধানে গণমাধ্যমে যে স্বাধীনতা আছে, সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেই আইন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.