হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচন চাইল অধীর চৌধুরী

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গল টুডেঃ

১৯শে এপ্রিল পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাইকোর্টের মামলা প্রসঙ্গে রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী নির্বাচন নিয়ে ছেলেখেলা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন।

অধীর চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে যাতে মানুষ অংশ নিতে পারে সেজন্য হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন হোক। কারণ, আমাদের রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উপর কোনো ভরসা নেই। সেজন্যই আমরা আদালতে এসেছি। যদি নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার ঠিকভাবে চলে তাহলে আদালতে এলাম কেন আমরা? আদালতে যখন এসেছি তাহলে আদালতের পর্যবেক্ষণে নির্বাচন হতে আপত্তির কী থাকতে পারে?’

এক্ষেত্রে রাজ্যের বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘যেটা ওনারা (সরকার পক্ষ) চাচ্ছিলেন হুড়োহুড়ি করে নির্বাচন করে দেবেন, বিরোধীরা প্রস্তুত হতে পারবে না। পিছনের দরজা দিয়ে জিতে যাবেন, সেটা হচ্ছে না। নির্বাচন হবে, আমরা যেরকম চাচ্ছি সেরকমই হবে এবং আমরা এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি লাভবান হব।’

পঞ্চায়েত নির্বাচনে অনিয়ম, মনোয়নপত্র জমায় বাধা দান, সন্ত্রাস সৃষ্টি ইত্যাদির অভিযোগে বিরোধীরা যে মামলা করেছিল হাইকোর্টে এদিন তার শুনানি শেষ হয়েছে। ২০শে এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ হাইকোর্টের বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ওই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। সে পর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

রাজ্য নির্বাচনের কমিশনের সচিব সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায় তুলে ধরে বলেন, ‘নির্বাচনের আইন ও বিধি অনুযায়ী আমরা কাজ করেছি। নির্বাচন আচরনবিধি কার্যকর হয়ে যাওয়ার পরে আদালত তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।’

অন্যদিকে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সরকার মনে করে ৯ই এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ছিল। এরপর সময়সীমা বাড়ানো আইনত অবৈধ।

উল্লেখ্য আগামী ১, ৩ ও ৫ মে পঞ্চায়েত নির্বাচন হওয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধীরা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমনকি ২০শে এপ্রিল ওই মামলার রায় ঘোষণা করবে কলকাতা হাই কোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে যদি কোনো পক্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেন তাহলে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ