বিজেপি কর্মীদের মারধর করে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ শাসক দলের বিরুদ্ধে

Share Bengal Today's News
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রামঃ

বিজেপি কর্মীদের মারধর করে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। এমনকি মারধর করে এক বিজেপি কর্মীকে তৃণমূলের পার্টী অফিসে তুলে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ।

১১ই এপ্রিল সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম জেলার জাম্বনী ব্লকের গিধনী বিডিও অফিস সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে । এই ঘটনায় এক মহিলা কর্মী সহ মোট ৫ জন বিজেপির কর্মী সমর্থক আহত হয়েছে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা করানো হয়। পরে জাম্বনী থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে জানান বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।

যদিও বিজেপির এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যায়, এদিন গিধনী বিডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র সমীক্ষা করতে আসেন বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা। বিজেপির অভিযোগ এদিন বিডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র সমীক্ষার তালিকা টাঙ্গাতে দেরি করেন। তাই বিজেপির কর্মী সমর্থকেরা বিডিও অফিস চত্বরে ছিলেন। এদিন সন্ধ্যা নামতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের এই হামলায় বিজেপি কর্মী পৃথ্বীরাজ বেসরা, রাজেশ মন্ডল, স্বপন সরেন, মনসারাম হাঁসদা ও এক মহিলা কর্মী ললিতা মুরমুকে মারধর করে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করতে চাপ দেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। এমনকি বিজেপি কর্মী পৃথ্বীরাজ বেসরাকে মারতে মারতে গিধনী পার্টী অফিসে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁকে আটকে রাখেন।

এবিষয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় শতপথী বলেন, আমাদেরকে চাপ দিয়ে একটি প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করালে আমরা ওদের দুটি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করাবো। তৃণমূল ভয় পেয়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। আমরা মনোনয়ন পত্র জমা করানোর সময় মোকাবিলা করেছি। এরপরেও আমাদের সাথে এরকম করা হলে আমরা ছেড়ে কথা বলবো না।

অপরদিকে ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, এই ঘটনায় আমাদের কোনও কর্মী জড়িত ছিল না। আসলে এটা বিজেপির চাল। কখনো মারধরের অভিযোগ করছে তো আবার কখনো আদালতে গিয়ে ভোট বানচাল করার মামলা করছে। এসব ওদের ঢপ টিকবে না। আর ভোটও বানচাল করতে পারবে না।

সম্পর্কিত সংবাদ