তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা মকুল রায় প্রচারে ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে গিয়ে বিশেষ সুবিধা করতে পারলেন না

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রামঃ

তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা বর্তমানের বিজেপি নেতা মকুল রায় ১১ই এপ্রিল বিজেপির হয়ে প্রচারে লালগড়ের আমলিয়া গ্রামে ছত্রধর মাহাতোর বাড়িতে গিয়ে বিশেষ সুবিধা করতে পারলেন না। ছত্রধর মাহাতোর পরিবারের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল ভোটের আগে অনেক নেতা নেত্রী আসে কিন্তু ভোট চলে গেলে কারো দেখা পাওয়া যায় না। ছত্রধর মাহাতোকে জেল থকে ছাড়ানোর বিষয়ে মুকুল রায় কেন্দ্রে কথা বলবেন এমন আশ্বাস দিলেও তা বিশ্বাস করেন নি ছত্রধরের বৃদ্ধা মা বা তার ভাই। এদিন লালগড়ের আমলিয়া গ্রামে মকুল রায় সহ বিজেপির ঝাড়গ্রাম জেলা নেতৃত্বরা দুপুর নাগাদ পৌছায়। যদিও এদিন ছত্রধরের বাড়িতে তার স্ত্রী বা ছেলেরা কেই ছিলনা। মকুল রায় ছত্রধর মাহাতোর ভাই অনিল মাহাতো, তার স্ত্রী দিপালী মাহাতো এবং মা বেদনাবালা মাহাতোর সঙ্গে কথা বলেন।
অনিল মাহাতো বলেন, “উনি দাদার কেস নিয়ে জানতে চাইছিলেন।আমি কিছু জানিনা। ভোট এলে সব নেতা নেত্রীরা আসে।চলেও যায়। আট বছর পার হয়ে গেলেও কোন জেলবান্দী ছাড়া পেল না। উল্টে ইউওপিও ধারা দেওয়া হচ্ছে।”

ছত্রধর মাহাতোর মা বেদনাবালা মাহাতো বলেন, “আমায় জিঞ্জাসা করল কেমন আছেন। বললাম শরীর খুব একটা ভালো নেই।” ছত্রধর মাহাতোকে ছাড়নোর ব্যাপারে ওরা দাবি জানাবে এই প্রসঙ্গ বেদনাবালা মাহাতো বলেন, “ভোটের আগে ওরা এরকম বলে। কিন্তু ভোট চলে গেলে আর কারো দেখা নেই।” মকুলবাবু সংবাদ মাধ্যমের সামনে বলেন, “বিজেপির জন্ম হওয়ার পর থেকে এ রাজ্যে সব থেকে বেশি বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে। ঝাড়গ্রাম,পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিন দিনাজপুর সমস্ত জায়গায় বিজেপি প্রার্থী দিয়েছে। যে পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে তা প্রহসন হচ্ছে। গনতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করে নির্বাচন করা উচিত। ভয় পাচ্ছে তাই মনোনয়নে বাধা দিচ্ছে।এত উন্নয়ন তাহলে ভয় কেন। ছত্রধর মাহাতোর ভাই.মায়ের সাথে কথা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছত্রধরের উপর একটু মায়া দয়া থাকেল কালকেই জেল থেকে বার করে দিক তাহলে আমরা কেন্দ্র সাথে কথা বলব। পরিবর্তনের লাড়াইতে যারা ছিল তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করছি যাদের ছুড়ে ফলে দেওয়া হয়েছিল।” আমলিয়া গ্রাম থেকে মকুলরায় ছোটপেলিয়া গ্রামে যান। ছোটপেলিয়া গ্রামে মাওবাদী সন্ত্রাশ পর্বে পুলিশের লাঠিতে একটি ছোখ নষ্ট হয়ে গিয়ে গিয়েছিল ছিতামনি মুর্মুর। তিনি তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। যদিও ছিতামনি বাড়িতে ছিলেন না। মুকুল বাবু গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি সেখানে জানিয়েছেন যারা পরিবর্তনের লড়াইতে ছিলেন তারা এখন কেমন আছেন তা দেখতে এসেছেন। যে পুলিশের লাঠির আঘাতে ছিতামনির চোখ নষ্ট হয়েছে তিনি এখন পুলিশ কমিশনার।

সম্পর্কিত সংবাদ