ঝাড়গ্রামে সিপিআইএমের প্রধান শত্রু সিপিআইএম ও বিজেপি, দাবী জঙ্গলমহলে সিপিআইএমের জেলা নেতৃত্বের

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা যখন ভুরি ভুরি অভিযোগ করছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। তখন জঙ্গলমহলে সিপিআইএমের প্রধান শত্রু সিপিআইএম এবং বিজেপি বলে দাবি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বের। অভিযোগ, বিজেপির সন্ত্রাসে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল ব্লকে পঞ্চায়েত অধিকাংশ আসনে প্রার্থী দিতে না পারলেও শেষ মুহুর্তে পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে প্রার্থী দিয়েছে সিপিআইএম।

উল্লেখ্য দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ওই এলাকার এক সময়ের দাপুটে সিপিআইএমের নেতা বাদল রানাকে গত রবিবার দল থেকে বহিঃস্কার করেছে জেলা নেতৃত্ব। সিপিএমের এই দাপুটে নেতাকে বহিঃস্কার করায় আরও বেশি করে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে দলের অভ্যন্তরে। জঙ্গলমহলের ঝাড়গ্রাম জেলার ৮ টি ব্লকে সিপিআইএম একেবারে স্যারেন্ডার হয়ে গিয়েছে। এই নির্বাচনে তাঁরা প্রার্থী কাকে দাঁড় করাবে তাই সিধান্ত করে উঠতে পারেননি। দু একটি ব্লকে সন্মান বাঁচানোর লড়াইয়ে শুধু মাত্র পেছনের সারিতে নাম লিখিয়েছে মাত্র। এহেন ভরা ডুবির কালে সিপিএমের ঝাড়গ্রাম জেলাকমিটির সদস্য ও সাঁকরাইল জোনাল কমিটির সদস্য কে বহিষ্কার করায় জঙ্গলমহলে চরম বেয়কাদায় পড়ে গিয়েছে দল।

সিপিআইএম সুত্রে জানা গিয়েছে, সিপিআইএমের নিচুতলার নেতা কর্মীরা থেকে শুরু করে একটা বড় মাপের অংশ সিপিআইএম ছেড়ে বিজেপি তে যোগ দিয়েছে। সেই দলত্যাগী সিপিআইএম ও বিজেপির নেতা কর্মীরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিআইএমকে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে সবচেয়ে বেশী বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ। সাকরাইল ব্লকে গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে কোনও প্রার্থী দিতে না পারায় নির্বাচনের প্রাক্কালে ঝাড়গ্রাম জেলাকমিটির সদস্য ও সাকরাইল জোনাল কমিটির সদস্য বাদল রানাকে দল থেকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছে সিপিআইএম।

এছাড়া আরও জানা গিয়েছে, নেতা অনুযায়ী মোটা টাকার বিনিময়ে বিজেপি তে যোগ দিয়ে দলের সবচেয়ে বড় কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সিপিআইএম ছেড়ে যাওয়া বিজেপির নেতা কর্মীরা।

এবিষয়ে ঝাড়গ্রাম জেলা সম্পাদক পুলিন বিহারী বাস্কে তাদের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে নিয়ে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রাক্কালে আমাদের নীচু তলার একটা বড় অংশ দলত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। এখন সেই সব বিজেপি কর্মীরাই আমাদের বড় শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও কিছু কিছু আমাদের দলের নেতাকর্মীরা দলের প্রতিক নিয়ে প্রার্থী হতে চাইছে না। এই অবস্থার জন্য আমরা জেলার সব কটি আসনে প্রার্থী দিতে পারিনি।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment