ব্যারাকপুরে শুরু ২৯তম পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ

ব্যারাকপুরে নতুন নগরপাল রাজেশ কুমার সিং দায়িত্ব নেবার পর থেকেই একটা কঠোর অনুশাসনের মধ্যে মানুষকে রাখার চেষ্টা করে চলেছেন। ছোট খাটো কিছু ঘটনা বাদ দিলে মোটের উপর এখন মানুষ স্বস্তিতেই আছেন। রাস্তায় অ্যাকসিডেন্ট কমানোর জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপও নিয়েছেন ইতিমধ্যেই। বর্তমানে রাস্তার চিত্র অন্তত বলছে বেশীর ভাগ মানুষ কিন্তু এখন হেলমেট ছাড়া বাইক চালাচ্ছেন না। ব্যারাকপুরে এরই মধ্যে শুরু হলো ২৯তম বার্ষিক পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ। ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকে এই পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের শুরুর দিন ব্যারাকপুরের নগরপাল সকাল ১১:৩০ মিনিট নাগাদ এলাকার বেশ কিছু স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি পথ পরিক্রমার আয়োজন করেন যা শুভারম্ভ সবুজ পতাকা দেখিয়ে শুরু করেন নগরপাল রাজেশ কুমার সিং।


সবুজ পতাকা দেখিয়ে পদযাত্রার শুভারম্ভ করলেন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমার সিং




এই শোভাযাত্রা ব্যারাকপুর পুলিশ লাইন থেকে শুরু হয়ে ব্যারাকপুর স্টেশন হয়ে আবার ফিরে আসে ব্যারাকপুর পুলিশ লাইনে। পরিক্রমার সম্পূর্ণ রাস্তায় পুরো ভাগে নিজে হেটে পথ চলতি মানুষদের পথ নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন করলেন নগরপাল নিজেই। বর্নাঢ্য এই পথ পরিক্রমায় প্রথমেই যেমন ছিল ট্র্যাফিকের ট্যাবলো, তার পেছনেই সারিসারি পুলিশের বাইক, এর পরই একদিকে যেমন বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা হাজীর ছিল তেমনই হাজীর ছিলেন ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উপ-নগরপাল (ট্র্যাফিক) জবি থমাস, উপ-নগরপাল (জোন-১) কে কারনান, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (ট্র্যাফিক) শিবাশীষ ঘোষ, ওসি সেন্ট্রাল (ট্র্যাফিক) রাজেশ মণ্ডল, ওসি ট্র্যাফিক (ব্যারাকপুর) বিজয় ঘোষ সহ অগুনতি মানুষ।

ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের উপ-নগরপাল (ট্র্যাফিক) জবি থমাস, উপ-নগরপাল (জোন-১) কে কারনান, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (ট্র্যাফিক) শিবাশীষ ঘোষ, ওসি সেন্ট্রাল (ট্র্যাফিক) রাজেশ মণ্ডল, ওসি ট্র্যাফিক (ব্যারাকপুর) বিজয় ঘোষ




মানুষের উদ্দ্যেশে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ” আমরা প্রতি বছরই এই ট্র্যাফিক সপ্তাহ পালন করে আসছি মূলত মানুষকে সচেতন করতে যাতে তারা গাড়ী চালানোর সময় ট্র্যাফিক আইন মেনে চলে। ফলে গত বছরের তুলনায় এই বছর ৪০% রাস্তায় দুর্ঘটনার হার কমে গেছে। এর জন্য পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে নিশ্চয় কিন্তু আমরা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রকল্পকে ১০০% সার্থক করতে তখনই পারবো যখন মানুষ আমাদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে এই প্রকল্পকে সার্থক করার প্রতিজ্ঞা নেবে।” তিনি আরও বলেন, “রাস্তায় যেমন গাড়ী যারা চালাচ্ছেন তারা সাধারণ মানুষই হোক বা পুলিশের কর্মচারীই হোন তাদের প্রতিটি ট্রাফিক আইন মেনে চলতে হবে, ঠিক তেমনই পথচারীদেরও সচেতন হতে হবে। কানে ফোন বা ইয়ারফোন দিয়ে রাস্তা পারাপার বা গাড়ী চালানোর থেকে মানুষকে বিরত থাকতে হবে। এই ভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চললেই দেখবেন আমরা দেখবো দুর্ঘটনার হার প্রায় শতাংশের কাছাকাছি কমানো সম্ভব হবে।”

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment