বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর হোর্ডিং ও শাসকদলের দলীয় পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগে পথ অবরোধ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষনা হবার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর হোডিং ও তৃণমূলের দলীয় পতাকা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগে ৫ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। ৩রা এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে অবরোধ শুরু করেন। এদিকে সকাল থেকে রাস্তা অবরোধের কারণে ৫ নম্বর রাজ্য সড়কের ঝাড়গ্রাম বাঁকুড়া পিচ রাস্তায় ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। তবে অবরোধ চললেও এম্বুলেন্স ও পরীক্ষার্থীদের গাড়ী গুলিকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এদিন সকাল ৯ টা নাগাদ উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা ভেবে অবরোধ তুলে নেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকেরা।

যদিও মুখ্যমন্ত্রীর হোডিং ও তৃণমূলের দলীয় পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ঘটনাটি ঘটে ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর এক নম্বর ব্লকের মাগুরা এলাকায়। এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকায় গোটা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, ২রা এপ্রিল রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজনেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হোডিং ও দলীয় পতকা গুলিকে ছিঁড়ে দেন। পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালে দলীয় পতকা ছেঁড়া দেখার পরেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এমনকি পথ অবরোধ শুরু করেন স্থানীয় তৃণমূলের নেতা কর্মীরা। পরে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌছায় বিনপুর থানার পুলিশ। দীর্ঘ দু ঘন্টা ধরে অবরোধ থাকার পর পরিস্থিতির সামাল দেন পুলিশ।

এবিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি সুখময় শতপথী বলেন, তৃণমূল কর্মীরা বুঝতে পারছে তাদের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। যার ফলে ওরা নিজেরাই তাদের ঝান্ডা ছিঁড়ে আমাদের কর্মী সমর্থকদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। এই ঘটনায় আমাদের কর্মীরা কেউ জড়িত নয় বলে দাবি করেন জেলা সভাপতি।

অপরদিকে তৃণমুলের ঝাড়গ্রাম জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন, চোরের মতো রাতের অন্ধকারে আমাদের দলীয় পতকা ছিঁড়েছে। ক্ষমতা থাকলে দিনের বেলা করে দেখান। ওদের পায়ের নীচে মাটি নেই বলে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এলাকায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment