ভুয়ো খবর ছড়ালে সাংবাদিকদের স্বীকৃতি স্থগিত, বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার মোদীর নির্দেশে

Share Bengal Today's News
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গল টুডে:

জাল বা ভুয়ো খবর ছড়ালে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের সরকারি স্বীকৃতি বাতিলের সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করা হয় নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে। ২ রা এপ্রিল সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে নানা মহল অসন্তোষ প্রকাশ করে মিডিয়ার ওপর খবরদারির চেষ্টার অভিযোগে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে বিষয়টি প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানোর পরামর্শ দিলেন। মূলত এরপর ২রা এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) থেকে বিজ্ঞপ্তিটি তুলে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রককে। আর সেই নির্দেশ সঙ্গে সঙ্গে পালন করা হয়।

এক্ষেত্রে পিএমও জানান, কোনটা ভুয়ো খবর, সে ব্য়াপারে সিদ্ধান্ত নেবে অবশ্যই প্রেস কাউন্সিল ও ন্যাশনাল ব্রডকাস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বা এনবিএ। সরকারি সূত্রের খবর, সরকারের কোনটা ভুয়ো খবর, কোনটা তা নয়, সে ব্যাপারে মাথা ঘামানো উচিত নয় বলেই মত পিএমও-র।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পার্লামেন্টে পাশ হওয়া আইন অনুযায়ী, ‘জাল খবর’ ছড়ালে দোষী সাংবাদিকের সর্বোচ্চ ৬ বছর জেল হবে। এ দেশেও ইদানীং নানা প্ল্য়াটফর্মে বিশেষ করে সোস্য়াল মিডিয়ায় ভুয়ো খবরের রমরমা মোকাবিলায় সাংবাদিকদের সরকারি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে চলতি গাইডলাইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। আর এর দরুন স্মৃতি ইরানির কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক এদিনের বিজ্ঞপ্তিতে ভুয়ো খবর ছড়ানোর অপরাধে দোষী সাংবাদিকের সরকারি স্বীকৃতি সাময়িক স্থগিত রাখা থেকে পাকাপাকি বাতিলের সুপারিশ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাংবাদিকরাই প্রাথমিক লক্ষ্য হলেও সেই পরিধির বাইরে থাকা সাংবাদিকরাও এর নিশানার মধ্যে হতে পারেন বলে আশঙ্কা ছড়ায়।

তবে এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি স্বীকৃতির আবেদন বিবেচনার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণকারী এজেন্সিগুলি খতিয়ে দেখবে পিসিআই ও এনবিএ-র বেঁধে দেওয়া সাংবাদিক সুলভ আচরণ ও নৈতিকতার বিধি, সম্প্রচারের মাপকাঠি ঠিকঠাক সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা পালন করেছেন কিনা। ওই গাউডলাইনগুলি বাধ্যতামূলক ভাবে মেনে চলতে হবে তাঁদের। প্রথমবার বিধি ভাঙলে ৬ মাস তিনি সাসপেন্ড থাকবেন, দ্বিতীয়বার ভাঙলে সাসপেনশন হবে ১ বছরের। তারপরও ভুয়ো খবর ছড়িয়ে গেলে তাঁর স্বীকৃতি বরাবরের মতো কেড়ে নেওয়া হবে। যদি ভুয়ো খবরের সংজ্ঞা দেয়নি তারা।

অপরদিকে ইতিমধ্যেই স্মৃতি ইরানির ট্যুইটারে বিষয়টি বিতর্কের জন্ম দিলেও একইসঙ্গে বহু সাংবাদিক, মিডিয়া প্রতিষ্ঠান গাইডলাইন মেনে চলার ব্যাপারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বলে জানান।

সম্পর্কিত সংবাদ