প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সম্ভাব্য সবকিছুই করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সম্ভাব্য সবকিছুই করেছি: শিক্ষামন্ত্রী

বেঙ্গলটুডে প্রতিনিধি, ঢাকা:

উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ ও পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য মানুষের সাধ্যে যা যা করা সম্ভব সবই করেছেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।  তিনি বলেছেন, আশা করছি এবার কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁস হবে না। ২ এপ্রিল সোমবার সকালে রাজধানীর বেইলি রোডে সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাহাবুবুর রহমান, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক প্রমুখ। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সম্পর্কে নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, অভিযোগ ওঠা অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু সেটা গোড়ায় গিয়ে দেখা উচিত, তা সত্য না মিথ্যা। এত কিছুর পরেও কেউ প্রশ্ন ফাঁস করলে তিনিই দায়ী থাকবেন এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে এসেছে। ২৫ মিনিট আগে প্রতি কেন্দ্রে সেট কোড পাঠানো হয়েছে কেন্দ্র সচিবকে। সেই সেট কোড অনুযায়ী প্রশ্নপত্র খুলে সেই সেটে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। প্রশ্নের প্যাকেটগুলো টেপ দিয়ে আটকানো ছিল।’ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আগেই বলা হয়েছিল, ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের কথা, সেভাবেই প্রবেশ করেছে। এই কেন্দ্রে মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থী কয়েক মিনিট পরে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে। তাদের নাম, হল, ঠিকানা লিখে রাখা হয়েছে। যাদের সন্দেহজনক মনে হবে তাদের যাচাই-বাছাই করা হবে।’ এমসিকিউ প্রশ্ন বাতিল হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা ও কাজ শুরু হয়েছে। এখানে জনমতের ব্যাপার রয়েছে। আপনারা লেখেন, এমসিকিউ সঠিক নাকি বেঠিক তা বলেন, তাহলে কাজ হবে।’ কোচিং সেন্টারগুলো খোলা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখানে শুধু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইসিটি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাই কাজ করছে। সবাই খুব সচেষ্ট রয়েছে।’ এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ এপ্রিল সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে দুপুর একটা পর্যন্ত। এবার ১০ বোর্ডে মোট ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ২ হাজার ৫৪১টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ১৪ মে।

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

[mwrcounter start=98529386]