পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছোট ছেলে শান্তনু ঠাকুর

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শান্তনু বিশ্বাস, গাইঘাটাঃ

১৯শে মার্চ মতুয়া সঙ্ঘের ঠাকুরবাড়ির হরিমন্দির থেকে সোনার হার চুরি হয়। ঠাকুর বাড়ির অনুষ্ঠান কমিটির আহ্বায়ক ধ্যানেশ নারায়ণ গুহ গাইঘাটা থানায় হার চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেবে মন্দিরের সি. সি. টিভি ফুটেজ দেখে ২১ মার্চ অমিত নারায়ণ গুহ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে এবং ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও দুজনকে শনাক্ত করে। গত ২৩শে মার্চ রাত ১০টা নাগাদ সনাক্ত হওয়া দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাইঘাটা থানার সাব-ইন্সপেক্টর রামকৃষ্ণ ঘুরিয়া গিয়েছিলেন। গাইঘাটা পুলিশ সূত্রে অভিযোগ ওই সময় মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছোট ছেলে শান্তনু ঠাকুর গাইঘাটা থানার অফিসারকে তার কাজে বাধা দান করেন, সদেহভাজন দুই ব্যাক্তির মধ্যে একজনকে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেন ও ওই অফিসারকে শারীরিক হেনস্থা করেন। এই খবর থানায় পৌঁছাবার সঙ্গে সঙ্গে গাইঘাটা থানার ওসিও ঘটনাস্থলে আসেন ও সন্দেহভাজন অপরজনকে থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন ওসি সহ চার জন কনস্টেবলকেও শারীরিক ভাবে হেনস্থার স্বীকার হতে হয়ে। এরপরই পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া ও হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন মতুয়া মহাসঙ্ঘের সঙ্ঘাধিপতি মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুরের ছোট ছেলে শান্তনু ঠাকুর ও আরও এক ব্যক্তি।

অপরদিকে এই ঘটনায় মঞ্জুল বাবু বলেন “এটা একটা চক্রান্ত আমাদের পরিবারের একজন আছে সে এই সব করাচ্ছে ,তার নাম মুখে আনতে ও রুচিতে বাধে।” পাশাপাশি শান্তনু ঠাকুর বলেন “মমতা ঠাকুর এই ঘটনা ঘটিয়েছে আমরা পুলিশের কাজে বাধা দেইনি বরঞ্চ মেলা চলাকালীন পুলিশ খুব ভালো কাজ করেছে। আমরা পুলিশের কাজে সবসময় সহযোগিতা করি । আমরা ঠাকুরবাড়ির লোক জানতাম না সোনার হার চুরি হয়েছে। চুরির এমন কোনো অভিযোগ হয়েছে কিনা সেটাই পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আমাকে পুলিশ ধরে নিয়ে আসলো। মতুয়া মহাসঙ্ঘের ভক্তদের উপরেই এর বিচারের দায়িত্ব ছাড়লাম।”

২৩শে মার্চ পুলিশের কাজে বাধা দান এবং পুলিশকে হেনস্থার অভিযোগে তপন কিরণ মজুমদার ও শান্তনু ঠাকুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২৪শে মার্চ তাদের বনগাঁ আদালতে পেশ করা হয়ে। আদালত তাকে দশ দিনের জেল হেফাজতের আদেশ দেয়।

সম্পর্কিত সংবাদ