ফের লালগড়ের লক্ষনপুরের জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ

ফের লালগড়ের লক্ষনপুরের জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ

সন্দীপ ঘোষ, ঝাড়গ্রাম:

ফের লক্ষনপুরের জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপকে ঘিরে নতুন করে ধোঁয়াশার সৃষ্টি। এলাকার মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্য। মানুষের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তৈরী হচ্ছে এই বাঘের পায়ের ছাপ নতুন না কি পুরাতন। পাশাপাশি এই ছাপ এখনো পরিষ্কার নয় বনদফতরের কাছে। তবে কিছু স্থানীয় গ্রামবাসীদের দাবি বাঘের এই পায়ের ছাপ নতুন। ২৩শে মার্চ সকালে লালগড় রেঞ্জের লক্ষনপুর জঙ্গলে স্থানীয় বাসিন্দারা বাঘের পায়ের ছাপ দেখে বনদফতরকে খবর দেয়। খবর পাওয়ার পরেই এদিন দুপুরে বনদফতরের একটি দল লক্ষনপুরের জঙ্গলে যায় এবং পায়ের ছাপ সংগ্রহ করে।

বনদফতর সূত্রে জানা যায়, বনদফতরের ওই দলটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি বাঘের ওই পায়ের ছাপ নতুন কিনা। তবে বনদফতর সন্দেহ করছে ওই ছাপ পুরাতন। বনদফতর জঙ্গলে ছাগল টোপ, ড্রোন ওড়ানো সহ বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেও বাঘের টিকি পায়নি। জঙ্গল শান্ত থাকলে বাঘকে ধরা যাবে আপাতত এই পন্থাকে ধরেই এগোচ্ছে বনদফতর।

অপরদিকে গ্রামবাসীদের দাবি, সম্প্রতি তারা জঙ্গলে যেভাবে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে আসছেন তাতে এদিন যে পায়ের ছাপ পাওয়া গেছে তা নতুন। তবে সব মিলিয়ে লালগড়ে বাঘ ঘিরে আতঙ্ক এবং তার সাথে ধোঁয়াশা রয়েই যাচ্ছে। ২রা মার্চের পর থেকে লালগড় সহ পাশের জেলা বাঁকুড়ার বনাঞ্চলে বাঘের আতঙ্ক রয়েই গেছে। বাঘের দেখা না মিললেও গ্রামের মানুষদের দৈনন্দিন জীবনে বাঘের অস্তিত্ব ব্যাপক ভাবে প্রভাব ফেলেছে। প্রথমদিকে বাঘের আতঙ্কের কারনে জঙ্গলে যাওয়া বন্ধ থাকলেও দরিদ্র অনেক মানুষই বাধ্য হচ্ছেন জঙ্গলে যেতে। ফলে বাঘ ধরা না পরলে জঙ্গলে আতঙ্ক রয়েই যাচ্ছে।

যদিও স্থানীয় একটি সূত্র থেকে জানা যায়, এদিন লালগড় রেঞ্জের লক্ষনপুর এলাকার একটি রাস্তায় বাঘকে পারাপার করতে দেখেছেন এক বাইক আরোহী। যদিও এর সত্যতা স্বীকার করেনি বনদফতর।

মেদিনীপুরের ডিএফও রবীন্দ্রনাথ সাহা বলেন, বাঘের পায়ের ছাপের একটি খবর এসেছে। আমরা খতিয়ে দেখছি।

You May Share This

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.