Saturday, August 13, 2022
spot_img

বিজেপি-তে যোগ দিয়েই মিহির বললেন, ‘অনাচার-দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধ’

প্রত্যাশামতোই বিজেপিতে যোগ দিলেন কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী। ইতিমধ্যেই দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধেয় দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে মিহির গোস্বামীর হাতে বিজেপির প্রাথমিক সদস্যপদ তুলে দেন রাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

এ দিন সকালে দিল্লি উড়ে যান মিহির গোস্বামী। বিমানবন্দরে কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তখনই জল্পনার অবসান ঘটে। বোঝাই গিয়েছিল, ঘাসফুল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন মিহির গোস্বামীর। সন্ধেয় দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ইস্তফা দেন। বিজেপির সদর দফতরে তাঁকে ফুলের তোড়া ও প্রাথমিক সদস্য দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তিনি বলেন,”মিহির দা অভিজ্ঞ রাজনীতিক। ছাত্রাবস্থা থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।”

রাজ্যে দুর্নীতি ও অপশাসনের অভিযোগ করেন মিহির গোস্বামী। বিবৃতি পাঠ করে বলেন,”সবাইকে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি বিজেপিতে যোগদান করলাম। গত ৩ অক্টোবর তৃণমূলের যাবতীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলাম। রাজ্যে চলছে অনাচার। দুর্নীতি ও ঠিকাদারি সংস্থার রাজত্ব কায়েম হয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিলাম। স্বাধীনতার পর থেকে উত্তরবঙ্গ বঞ্চিত। ধারাবাহিকভাবে অবহেলিত হয়েছে। এটা আমার ধর্মযুদ্ধ। নতুন ভোর দেখতে চাই। বলাই বাহুল্য, আমরা নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে সুদিন দেখতে পাব। এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”

দল ছাড়ার আগে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মিহির গোস্বামী। ফেসবুকে তিনি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ,’জেলায় জেলায় বারবার অপমানিত হয়েছি। দলের রাজ্য নেতৃত্ব তাতে নীরব ও প্রচ্ছন্ন মদত জুগিয়ে গিয়েছে। দলনেত্রীকে সে সব কথা জানিয়েও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি। আজ সব সহ্যের সীমা অতিক্রম করার সময়েও দেখেছি নেত্রী একইরকমের আশ্চর্য নীরবতা পালন করেছেন। সম্ভবত তিরস্কার-বহিস্কারের ক্ষমতাও তাঁর লুপ্ত হয়েছে। দলের চালক সিটে তিনি আর নেই। আজ এই তৃণমূল দলের সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও ইস্তফা দিলাম।’

Related Articles

Stay Connected

0FansLike
3,431FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles