বাংলাদেশের রেলক্রসিং এখন মরণ ফাঁদ

Spread the love
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

মিজান রহমান, ঢাকাঃ বাংলাদেশের রেলক্রসিংগুলোতে নেই পর্যাপ্ত লোকবল, তাই অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। ক্রসিংগুলো এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন সহ ২১টি ট্রেন প্রতিদিনই চলাচল করে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা রেল জংশন হয়ে। মানুষজন নিরাপদ ভ্রমণের জন্য ট্রেনে যাতায়াত করলেও এই জংশনের আটটি রেলক্রসিং এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি কামরুজ্জামান রাজা নামের এক ব্যক্তি ট্রেনের ধাক্কায় নিহত হওয়ার পরে অরক্ষিত রেলক্রসিং গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় সচেতন মহল।

স্থানীয়রা জানান, কাউনিয়া উপজেলার আটটি রেলক্রসিং দিয়ে দিন-রাত মানুষ চলাচল করলেও নেই রেল কর্তৃপক্ষের কোনো পাহারাদার বা গেটম্যান। তাই হরহামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা আর প্রাণহানি। একইভাবে রেল দুর্ঘটনা ঘটছে উপজেলার খোপাতীর তপসী ডাঙ্গা, পাঞ্জর ভাঙ্গা, বুদ্ধির বাজার বাঁধের রাস্তা, সাধু স্কুলের পাড়, গদাই স্কুলের পাড়, মৌল রেলক্রসিং, বল্ভ বিষু রেলক্রসিংয়ে। আনসারি, আলাল, মামুনরা সচেতন নাগরিক। তারা জানান, রেলগেটের পাশেই সিমেন্টের ওপর কালো অক্ষরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সতর্কবাণী এই গেটে কোনো পাহারাদার নেই।

সাধু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসলাম উদ্দিন বলেন, অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে গেট না থাকায় ট্রেন আসা-যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা থাকে। রেলগেট নির্মাণ করা খুবই প্রয়োজন। এসব রেলক্রসিং এখন মানুষের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা ও আইন-শৃঙ্খলা সভায় একাধিকবার আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল লালমনিরহাট ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, জননিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অরক্ষিত রেলক্রসিংগুলো শিগগির মনিটরিং করা হবে। অবৈধ লেভেল ক্রসিং বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে কাউনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম নাজিয়া সুলতানা জানান, মাসিক সভার সিদ্ধান্তের কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment