নোটা তে বাড়ছে ভোট, চিন্তায় কপালে ভাঁজ রাজনীতিকদের

নোটা তে বাড়ছে ভোট, চিন্তায় কপালে ভাঁজ রাজনীতিকদের

 

রাজীব মুখার্জী, হাওড়াঃ “নান অফ দা এবোভ ” বা সংক্ষেপে “নোটা ” এইটি একটি ভোটার অপসন ভোটারের কাছে যদি সে কোনো প্রার্থীকে ভোট না দিতে চান কিন্তু তাঁর গণতন্ত্রের অধিকার ভোট দেওয়াকে নিশ্চিত করতে পারেন তাঁর ভোট এই “নোটা ” তে দিয়ে। ২৭ শে সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট এই মর্মে রায় দেয় যেকোনো নির্বাচনে ভোটারকে “নোটা “তে ভোট দেওয়ার অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে এবং এই মর্মে একটি অতিরিক্ত বোতাম ই. ভি. এম. যন্ত্রে রাখতে হবে।

২০১৪ সালের সাধারণ লোকসভা নির্বাচনে প্রথমবারের জন্য “নোটা “-র ব্যবহার শুরু হয়। সেই বছরে মত ভোটের 1.1% ভোট নোটাতে যায় যার গণনাকৃত সংখ্যা ৬,০০০,০০০ -র বেশি ছিল। এই বিশেষ “NOTA” প্রতীকটি একটি কালো কাগজে বাটন হিসাবে দেওয়া শুরু হয় ১৮ ই সেপ্টেম্বর ২০১৫ সাল থেকে। এই প্রতীকের ডিজাইন করেছিল “ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডিজাইন, আহমেদাবাদ “- এর অধ্যাপক তরুণদীপ গিরদের এবং এই প্রতীক জাতীয় নির্বাচন কমিশন মান্যতা দিয়েছিলো।

যদিও জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল জে এই “নোটা “-র ভোট মূল প্রদত্ত ভোটার সাথে গোনা হবে না তাই এই ভোট ভোটের ফলাফলে কোনো পরিবর্তন আনবে না।

এই সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে ছত্তীশগড়ে ৯০ টির মধ্যে ৮৫ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল আম আদমি পার্টি, তাদের ভোটপ্রাপ্তির হার ০.৯ শতাংশ। সেখানে নোটা পড়েছে ২.১%. সমাজবাদী ও এনসিপি পেয়েছে ০.২ শতাংশ করে ভোট। ওই রাজ্যে সিপিআই পেয়েছে মাত্র ০,৩ শতাংশ ভোট। মধ্যপ্রদেশে নোটায় পড়েছে ১.৫ শতাংশ ভোট।

সমাজবাদী পার্টি পেয়েছে ১.০১ শতাংশ। আপ পেয়েছে ০.৭%। রাজস্থানে নোটায় ভোট পড়েছে ১.৩ শতাংশ। সিপিএম ও অখিলেশের সমাজবাদী পার্টির ভোটপ্রাপ্তির হার যথাক্রমে ১.২ শতাংশ ও ০.২ শতাংশ। আপের ভোটপ্রাপ্তির হার ০.৪ শতাংশ। ০.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে রাষ্ট্রীয় লোকদল। তবে রাজস্থানে দুটি আসন পেয়েছে বামপন্থীরা। তেলেঙ্গানায় নোটায় পড়েছে ১.১ শতাংশ ভোট। সিপিএম পেয়েছে ০,৪ শতাংশ এবং সিপিআই ০.৪ শতাংশ। এনসিপি পেয়েছে মাত্র ০.১ শতাংশ।

You May Share This
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2
    Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.