বাংলাদেশে ভোট বিপ্লব হবে ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে : কাদের

বাংলাদেশে ভোট বিপ্লব হবে ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে : কাদের

 

মিজান রহমান, ঢাকাঃ জগাখিচুড়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে এ নির্বাচনে ভোট বিপ্লব হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ১লা ডিসেম্বর শনিবার ধানমণ্ডি আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, নির্বাচন বানচাল করার জন্য পায়তারা করে ধ্বংসাত্মক জ্বালাও-পোড়াও অগ্নিসংযোগ করছে একটি চক্র। নির্বাচনের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ বিনষ্ট করেছে তারা নয়া পল্টন থেকে। “তারা এখন নির্বাচন বানচাল করা থেকে পিছু হটেনি। আমাদের আশঙ্কা তারা নাশকতার সহিংসতার পথে যেতে পারে। এ নিয়ে আমাদের মাথা ব্যাথা নেই কারণ দেশে জানি সুষ্ঠু, সুন্দর, স্বচ্ছ একটা নির্বাচন হবে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র শিবির ও হেফাজতে ইসলামের মতো ধর্মীয় সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে একটি প্রস্তাবে। পাশাপাশি আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট থেকে জামায়াতে ইসলামের অনেককেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াত এবং বিএনপি একই নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী। আগে মনে করা হতো স্ট্র্যাটেজিক বিষয়ে তারা সঙ্গে আছে কিন্তু না, স্ট্র্যাটেজিক কোনও বিষয় না। তাদের সম্পর্কটা একেবারেই নীতি আদর্শের ব্যাপার। তাদের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং কর্মকাণ্ড একই। সারা বছরই তারা একসঙ্গে কাজ করে। বিএনপির সভা সমাবেশ ও জোটে আছে জামায়াত এবং এটা দৃশ্যমান। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা সরকারের এখতিয়ার না আদালতের। প্রতিবেদন একরকম হকে পারে সেখান থেকে কোনও একটা অংশ নিয়ে, কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থে নির্বাচনের ওপর প্রভাব বিস্তারে, অনেকেই এসব করে থাকে। নির্বাচন আসলে এগুলো বেশি হয়। তাই কি কি প্রতিবেদনে থাকলো এটা আমাদের দেখার বিষয় না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, “এবারের নির্বাচন খুব সুন্দর হবে। অনুকূল পরিবেশে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে। জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারবেন। এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ধরণের হস্তক্ষেপ হবে না। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন কতৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সব ধরণের সহায়তা সরবরাহ করবে। প্রয়োজন শেখ হাসিনার সরকার সব ধরণের সহায়তা করার প্রস্তুত আছে। পাকিস্তানের সাথে বিএনপি জামায়াতের বন্ধুত্ব এখনো অটুট আছে। কাজেই বন্ধুহীন হয়ে পড়বে এই মুহুর্তে বলা ঠিক নয়। তবে উন্নত গণতান্ত্রিক দেশে তারা ক্রমেই বন্ধুত্বহীন হয়ে পড়ছে।”

তিনি বলেন, এবার একটি শক্তিশালী নির্বাচন পরিচালনা মনিটরিং কমিটি করা হয়েছে। জাতীয় ভাবে সকল কেন্দ্রীয় মনিটরিং করবেন কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে। এই কমিটিতে নেতৃত্ব দেবেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আহমদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন।

You May Share This
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.