শুরু হল সংসদের বাজেট অধিবেশন

Share Bengal Today's News
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গল টুডে:

২৯ শে জানুয়ারি থেকে শুরু হল সংসদের বাজেট অধিবেশন। লোকসভা ও রাজ্যসভার সদস্যদের যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অধিবেশন। এবারের অধিবেশনে পাশ হওয়ার অপেক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলির মধ্যে রয়েছে তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিল। রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণে আশাপ্রকাশ করেছেন, এই বিল সংসদে দ্রুত পাশ হয়ে আইনে পরিণত হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, “আমার সরকার সংসদে তিন তালাক বিল পেশ করেছে। আমি আশা করছি, সংসদ শীঘ্রই তা পাশ করবে। বিল আইনে পরিণত হওয়ার পর মুসলিম নারীরা মর্যাদা ও ভয় ছাড়া জীবনযাপন করতে পারবেন।” তাঁর আরও যোগ, “কয়েক দশক ধরে মুসলিম নারীদের সম্মান রাজনৈতিক লাভ ও ক্ষতির সঙ্গে জড়িত ছিল। এখন, এই পরিস্থিতি থেকে তাদের মুক্তি দেওয়ার জন্য দেশের কাছে সুযোগ রয়েছে।”

এমনকি রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতি ও প্রকল্পের নাম উঠে আসে। জাতির উন্নয়নে সদা লড়াই করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা করেন তিনি। রাষ্ট্রপতির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, মাতৃত্বকালীন সুবিধা, জনধন প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রীর মুদ্রা যোজনা, সৌভাগ্য যোজনা, অটল পেনশন যোজনার কথা উঠে আসে।

মূলত ২৯ জানুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে সংসদের অধিবেশন। প্রথম পর্যায়ে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। দ্বিতীয় পর্যায়ের অধিবেশন চলবে ৫ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কর্মসংস্থান, ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ সহ একাধিক ইস্যুতে সরকার বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। মনে করা হচ্ছে, বাজেট অধিবেশনে আরও বেশি করে সরব হবে বিরোধীরা।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সব রাজনৈতিক দলের কাছে তিন তালাক বিল পাশ করাতে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, মুসলিম মহিলাদের রক্ষা করতে হলে আমাদের এই বিল পাশ করাতেই হবে।

সংসদ ভবনের বাইরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত অধিবেশনে তিন তালাক বিল পাশ করানোর আশা করেছিলাম, যাতে মুসলিম মহিলারা তাঁদের অধিকার পান। এমনকী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও আমরা গত অধিবেশনে বিল পাশ করতে পারিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেট থেকে কীভাবে সমাজের সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণি সুবিধা পাবে এই অধিবেশনে সেটাই আলোচনা হবে। তিনি বলেন, “আমাদের সংসদীয় কমিটির পদ্ধতি ব্যবহার করা উচিত এবং বাজেটের বিষয়ে আলোচনা করা উচিত। গ্রামীণ ভারত, কৃষক, দলিত, উপজাতি সম্প্রদায় ও শ্রমিকদের বিষয়ে ভাবা উচিত।

সম্পর্কিত সংবাদ