হাওড়ার উন্নয়নের বেহাল দশা

Spread the love
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

 

রাজীব মুখার্জী, হাওড়াঃ  কলকাতার পরে ‘হাওড়ার মুখ’ বদলাতে উদ্যোগী হয়েছিল রাজ্য সরকার আজ থেকে চার বছর আগে। হাওড়া শহরে প্রবেশপথেই আগে থাকতো মাছের আড়তের দুর্গন্ধ, সব্জিবাজার ও পানবাজারের চারপাশের আবর্জনার জন্য পরিবেশ ও দৃশ্য দূষণের অভিযোগ। তারই প্রতিকারে মাঠে নেমেছিল পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। সামনে ছিল এই প্রচার যে শুধুই এলাকার উন্নয়নই নয়, সরকার চাইছে ওই এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ দূষণ রোধ করতে। কিন্তু রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে তৃণমূল সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী ওই বাজার এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

বিগত কয়েক বছরের মধ্যেই এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন পরিবেশমন্ত্রী সুদর্শন ঘোষদস্তিদার, পূর্তমন্ত্রী সুব্রত সাহা ও মৎসমন্ত্রী আবু হেনা ও নগরোন্নয় মন্ত্রীর ফিরহাদ হাকিম নিজে। হাওড়াতে এসে সকলেই পরিবেশের উন্নতির পক্ষে তাদের মত দিয়ে যান। রাজ্য পরিবেশ দফতরের পক্ষ থেকেও একই অভিমত দেন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষদস্তিদার মহাশয়ও। এখানে এসে মন্ত্রীর পরিবেশ দফতরের তরফে অভিযোগ করেছিলেন, এই মাছের আড়তে মাছের জন্য ব্যবহৃত বরফ মূলত তৈরি হয় পচা জল থেকেই তাই ওই জল ভূস্তরের সঙ্গে মিশে ব্যাপক ভূমি-দূষণ ঘটাচ্ছে বলে। এতে অনেক ক্ষতি হচ্ছে এলাকাবাসীদের স্বাস্থ্যের। অবিলম্বে সেই দূষণ বন্ধ হওয়ার সঙ্গে প্রয়োজন সব্জিবাজারের পাশে পড়ে থাকা আবর্জনার দুর্গন্ধ রোধ করাটাও। কারণ, হাওড়া স্টেশনে আসা ভিন্ রাজ্যের লোকজন বা বিদেশিদেরও ওই দুর্গন্ধ সহ্য করে শহরে প্রবেশ করে যা রাজ্যের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জাজনক অভিজ্ঞতা। হাওড়া মাছবাজারে। এই এলাকার উন্নয়নেই বিভিন্ন সময়ে মাছবাজারের পাশ থেকে বেআইনি দখলদার উচ্ছেদ অভিযান অব্দি করা হয়েছে। তাঁর সাথে চলেছে মাছবাজার ও পানবাজারে পাশে পড়ে থাকা প্যাকিং বাক্স ও আর্বজনা সরানোর কাজও। টিন দিয়ে ঘেরাও হয়েছে কে.এম.ডি.এ. র বেখল হয়ে যাওয়া জমি অব্দি।

যদিও প্রাথমিক ভাবে শুরু হওয়া এই কাজ নিয়ে ক্ষোভ দেখা গেছিলো ব্যবসায়ীদের মধ্যে। পরবর্তী সময়ের চিত্র যা কে তাই। সেদিনকার তড়িঘড়ি সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল তৃণমূল প্রভাবিত হাওড়া সব্জিবাজার খুচরো ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যেরা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, কাউকে কিছু না জানিয়ে কয়েক ঘণ্টার নোটিশে সব ভাঙচুরের কাজ শুরু কিরে হয়েছে। টিন দিয়ে এলাকা ঘেরা হয়েছিল। এই নিয়ে জনস্বার্থে মামলাও হয় এবং পরবর্তী কালে গঠিত হয়েছিল কমিটি। কমিটির রিপোর্ট জমা হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছিল যে শুধু দুই একদিন নয়, বছরভরই দূষণে জর্জরিত হাওড়া। এমনই তথ্য উঠে এসেছিলো পরিবেশ আদালত নিযুক্ত কমিটির রিপোর্টে।

হাওড়ার বাসিন্দা পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্তর করা হাওড়া শহরের বায়ুদূষণ সংক্রান্ত মামলায় একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালতের পূর্বাঞ্চলীয় বেঞ্চ। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আঞ্চলিক অধিকর্তা আরসি সাক্সেনার নেতৃত্বাধীন এই কমিটিতে কেন্দ্রীয় পর্ষদের বিজ্ঞানী রীতা সাহা, রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের সিনিয়র বিজ্ঞানী দেবাঞ্জন গুপ্ত এবং ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (নিরি) সিনিয়র বিজ্ঞানী দীপাঞ্জন মজুমদাররাও ছিলেন। তাতে উঠে এসেছিলো বাস্তব চিত্রটা যে শেষ ২০১৬ ও ২০১৭ এই দুই বছরে এই শহরের যে দূষণমাত্রার ছবি কমিটি বিশ্লেষণ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা (পিএম 2.5) এবং নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের বার্ষিক গড় মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেশি। বিশেষ করে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার গড় মাত্রা রয়েছে স্বাভাবিকের প্রায় দ্বিগুণ।


হাওড়া শহরের দূষণ নিয়ন্ত্রণে একগুচ্ছ সুপারিশও করেছিল ওই কমিটি। কমিশনের চেয়ারপার্সন বিচারপতি আদর্শকুমার গোয়েলের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের কাছে কমিটির রিপোর্ট ও সুপারিশ জমা দেওয়া হয়েছিল। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে শহরে বড় পাতার গাছ লাগানোর পাশাপাশি বিশেষ করে শীতকালে পুরসভাকেই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও মোড়গুলিতে জল ছেটানোরও পরামর্শ দিয়েছিলো কমিটি। কিন্তু অদ্ভুত কারণে সবই থেকে গিয়েছে ধুলো বন্ধ ফাইলের মধ্যেই। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। রাজনৈতিক ও আম্লাতান্ত্রিকতার টানা পোড়েনে পুর বিষয়টাই চলে গেছে অন্ধকারে। এই প্রসঙ্গে সেদিনকার এলাকার নেতা মন্ত্রীদের কথা শুনলেই সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

এই ব্যাবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাজেশ সোনকার বলেছিলেন , “কাউকে কিছু না জানিয়ে হঠাৎ এ সব ভাঙচুর, দখল নেওয়া শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা চিন্তিত। এই বাজারের সঙ্গে প্রায় তিন হাজার চাষি ও দেড় হাজার ব্যবসায়ীর রুজি-রুটি জড়িত। উন্নতি করতে গিয়ে যাতে এত লোকের ক্ষতি না হয়, তা আগে দেখা দরকার ছিল”। বাস্তব চিত্র বলছে ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে পুর পরিকল্পনায় বিশ বাওঁ জলে রয়েছে।

পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন, “হাওড়ার মাছবাজার ও সব্জিবাজারের উন্নয়নে কেএমডিএ প্রকল্প তৈরি করেছে। বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ করে এলাকার আবর্জনা সাফাই চলছে। ব্যবসায়ী ও শ্রমিক সংগঠনগুলির সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।” কিন্তু সেটাও বাস্তবায়িত হয়নি।

এলাকার তৃণমূল বিধায়ক অশোক ঘোষ বলেছিলেন, “হাওড়ায় প্রবেশের মুখে ওই এলাকার উন্নতি করব বলে নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আমরা। তবে সবই হবে ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করে। কারও রুজি-রুটির ক্ষতি করে উন্নতি করা আমাদের সরকারের নীতিবিরুদ্ধ।” দলীয় স্বার্থ দেখতে গিয়ে অবহেলিত হয়েছে সাধারণ মানুষের স্বার্থ।

অপরদিকে এই হাওড়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাছ বাজার লাগোয়া একটা পরিত্যক্ত জায়গা বছর খানেক আগে পরিষ্কার করে তৈরি হয় একটি শিশু উদ্যান। যার নাম রাখা হয়েছিল বি. আর. আম্বেদকর উদ্যান। সেখানে রাখা হয় শিশুদের বিনোদনের নানা সরঞ্জাম। সেই শিশু উদ্যানের সামনেই কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে তৈরি করা হয় মাল্টিজিম। এর পাশাপাশি, শিশু উদ্যান লাগোয়া মাঠকে খেলাধুলোর উপযুক্ত করে তৈরি করা হয়।

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, উদ্বোধনের পর থেকে শিশু উদ্যান কার্যত তালাবন্ধ হয়ে পড়েছিল। মাল্টিজিমে এলাকার কিছু যুবক প্রথমে ব্যায়াম করতে এলেও পরে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। এই এলাকার বাসিন্দা অমরেশ জয়সওয়াল বলেন, “ওই জায়গায় কেন একটা শিশু উদ্যান তৈরি করা হল আর কেনই বা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচে মাল্টিজিম করা হল, তা আমরা জানি না। কারণ ওই জায়গাটি মূলত ব্যবসা কেন্দ্র। এর পাশেই মাছ ও আনাজ বাজার রয়েছে। এই আবর্জনায় ভরা ওই জায়গায় কোনও শিশুকে পরিবারের লোকজন নিয়ে আসবেন কেন?” 

গোটা ব্যাপারটি নিয়ে সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছিলেন বলে দাবি করেছেন পার্ক ও উদ্যানের দায়িত্বে থাকা মেয়র পারিষদ বিভাস হাজরা। তিনি বলেন, “খবর পেয়ে আমি নিজে যাই ওই পার্ক পরিদর্শনে। শিশু উদ্যানে একটি কোম্পানির প্রচুর জলের বোতল দেখে সঙ্গে সঙ্গে সরানোর নির্দেশ দিয়েছি এবং পার্কটিকে পরিষ্কার করতে বলেছি”। আপাতত সরলেও সেই পার্ক আজও বন্ধ অবস্থাতেই রয়েছে।

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বাতাসে ধূলিকণার সহনমাত্রা ধরা হয় পিএম১০-এর ক্ষেত্রে বার্ষিক গড় প্রতি ঘনমিটারে ৬০ মাইক্রোগ্রাম ও পিএম ২.৫ এর ক্ষেত্রে ৪০মাইক্রোগ্রাম। আর নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডের মাত্রা থাকার কথা প্রতি ঘনমিটারে ৪০ মাইক্রোগ্রাম অথচ কলকাতায় রাজ্য পর্ষদের সেমিঅটোমেটিক মনিটরিং স্টেশনের রিপোর্ট বলছে, দুই বছরই এই মাত্রা ছিল প্রায় দ্বিগুণ। কমিটির মতে, হাওড়ায় বায়ুদূষণের মূল উৎস হল যানবাহনের দূষণ। এটা ছাড়া রাস্তার ধুলো, নির্মাণকাজের জেরে তৈরি ধুলোবালি, পাতা ও জৈব বর্জ্য পোড়ানোর জন্যও বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি।

এই দূষণ নিয়ন্ত্রণে কমিটির সুপারিশ, শহরের ১৫ বছরের পুরোনো বাণিজ্যিক যান বাতিল করতে হবে। সব গাড়ি বৈধ পলিউশন আন্ডার কন্ট্রোল (পিইউসি) শংসাপত্র নিয়েই যাতে চলে, তা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই জন্য গাড়ি ধোঁয়া পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিকে কেন্দ্রীয় সার্ভারর মাধ্যমে সংযুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি শহরের ট্র্যাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যানজট দূরীকরণ, নো-পার্কিং বিধি কড়া হাতে পালন করা, প্রয়োজনে যত বেশি সম্ভব ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা, খোলা জায়গায় জৈব বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ করা, বৈদ্যুতিক বাস, ই-রিকশার ব্যবহার যথাসম্ভব বাড়ানো, ট্রাক ও মালবাহী গাড়ির ওভারলোডিং বন্ধ করার মতো একগুচ্ছ সুপারিশ করেছে বিশেষজ্ঞ কমিটি।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য ছিল, শহরের বিভিন্ন জায়গায় যত বেশি সংখ্যায় বড় পাতাযুক্ত গাছ লাগাতে হবে। পাশাপাশি ধুলোবালি যাতে বাতাসে বেশি না পৌঁছায়, সেজন্য বিশেষ করে অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাস্তায় জল ছেটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সুভাষ বলেন, “রাস্তার ধারে আম, জাম, কাঁঠালের মতো ফল হয় ও বড় পাতা থাকে, এরকম গাছ লাগানো ভালো”।

পরিবেশ সংক্রান্ত কমিটির রিপোর্ট এখনও অব্দি কোনোভাবে পৌরসভার ঘুম ভাঙাতে পারেনি সেটা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরলেই বোঝা যায়। এর সাথে জুড়েছে শহর জুড়ে দৃশ্য দূষণের চিত্র। যেদিকেই চোখ যায় শুধুই অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার ছড়াছড়ি। শহর জুড়ে বইছে শুভেচ্ছার বাণী। শুভেচ্ছার এই বার্তার কোপে বাদ যায়নি ট্রাফিক সিগনালের বোর্ড অব্দি। ট্রাফিক আইন অনুযায়ী সিগন্যাল বোর্ডের দশ মিটারের মধ্যে কোনো ফ্লেক্স বা কিছু টাঙানো নিষিদ্ধ। আপাতত এই আইন কানুন শিকেয় উঠেছে হাওড়া শহরে “শারদীয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছার” বহরে। সেই গণেশ পুজো দিয়ে শুরু মাঝে দূর্গা পুজো, শ্যামা পুজো, ছট ও জগদ্ধাত্রী পুজো, বাঙালির বারো মাসের তেরো পার্বনে আর যাই হোক দৃশ্য দূষণের শেষ নেই। শহরের দৃশ্য দূষণ প্রতিরোধে এখনও পথে নামেনি হাওড়া পুরসভা।

শহর জুড়ে যত বেআইনি হোর্ডিং ব্যানার ও পোস্টার আছে তাঁর সংখ্যা গরিষ্ঠ বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের নেতা ও মন্ত্রীদের। যেগুলো খোলার কোনো উদ্যোগ হাওড়ার পুরসভা থেকে আজও নেওয়া হয়নি। হাওড়া শহরের যত্রতত্র বেআইনি হোর্ডিং ব্যানার ও পোস্টারে ছেয়ে রয়েছে। হাওড়া কোর্ট থেকে শুরু করে ময়দান হয়ে পাম্প হাউস মোড় হয়ে রাম রাজা তলার রাস্তা বা বাইপাস হয়ে নতুন রাস্তা হোক বা দাশ নগর, লিলুয়া, সালকিয়া, বেলুড়, বালি সর্বত্রই একই চিত্র।

বাসস্ট্যান্ড থানার সামনে ইলেকট্রিক পোস্টে লাগানো এই ব্যানার পোস্টার ও হোর্ডিং গুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বহুদিন থেকেই করে আসছেন হাওড়ার নাগরিকরা। শহরের চারিদিকে ঝুলন্ত তারের জাল। পুরসভার উদাসীনতায় ব্যবসায়ীদের একাংশ শহরের ফুটপাথ দখল করে সেখানে দোকানের সাইনবোর্ড দাঁড় করিয়ে রাখায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। সমগ্র ময়দান চত্বর এখন ব্যাবসায়ীদের দখলে, রাস্তায় হাঁটা দায়। এখনো অব্দি পুরসভার ঘুম ভাঙ্গেনি। বিভিন্ন ক্লাবের ব্যানারে পুরসভার মেয়র এবং তাঁর মেয়র পারিষদদের ছবি দেওয়াটাই পুরসভা থেকেও কোনো উদ্যোগ নেই এগুলোকে সরানোর। এই দৃশ্য দূষণ বহুদিন ধরেই সহ্য করে আসছেন শহরবাসী। হাওড়া শহরের রাস্তার বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ স্থান গুলিতে লাগানো বিভিন্ন সংস্থার পোস্টারে ঢেকে রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment