অভিনব গণ ভাইফোঁটা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

অরিন্দম রায় চৌধুরী, ব্যারাকপুরঃ “ভাই-এর কপালে দিলাম ফোঁটা, যম দুয়ারে পড়ল কাঁটা, যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা, আমি দিই আমার ভাইকে ফোঁটা” এই মন্ত্র বলেই ভারতের লক্ষ লক্ষ বোনেরা তাদের ভাইয়ের কপালে ফোটা দিয়ে ভাইয়ের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করে। ভাই এর প্রতি বোনের এই ভালবাসা ধরা দেয় ভাইফোঁটা অনুষ্ঠানে। বস্তুত পারিবারিক এই অনুষ্ঠানটি সকল ভাইয়ের প্রতি বোনের যে মমতা তুলে ধরে তা অনন্য। তাই ভাইফোঁটা সকল ভাইয়ের, সকল বোনের অনুষ্ঠান। পারিবারিক নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত ভাইরা বোনেদের কাছে এসে চন্দন চর্চিত ফোঁটা নেয়। বোন ছোট হলে দাদা আর্শীবাদ করে থাকে। সেই সঙ্গে দাদার পক্ষ থেকেবোনদের জন্য স্পেশাল কোনও গিফট তো থাকেই। বোন বড় হলে আদরের ভাইকে ফোঁটার সঙ্গে উপহারও দেয়। যদিও ভাইফোঁটা অনুষ্ঠানের কোনও ধর্মীয় মন্ত্র নেই। খুব সাধারণ ভাবে প্রদীপ জ্বালিয়ে, শঙ্খ-উলুধ্বনি দিয়ে মাঙ্গলিক পরিবেশে অনুষ্ঠানটি হয়ে থাকে। সবশেষে ভাইকে মিষ্টি খাইয়ে, প্রণাম ও আর্শীবাদ দেওয়া নেওয়ার মধ্যে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। এই রীতিই চলে আসছে যুগ যুগ ধরে।


এত গেল প্রত্যেক বাড়ীর ছবি কিন্তু বর্তমানে যারা সর্ব সময় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ান সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে, যারা রাস্তায় চলাচল করা প্রত্যেক মানুষকে নিজের বাড়ীর লোক মনে করেন ও তাদের রক্ষায় নিজেদের পরিবারকেও সময় দিতে পারেন না সেই পুলিশও যে এই দিনটিকে পালন করবে তা অনেকের কাছেই আশ্চর্যের বিষয় হতে পারে। কিন্তু দেখা গেল সকালেই ব্যারাকপুর চিড়িয়ামোড়ের ট্র্যাফিক কিওস্কের সামনে থরে থরে সাজানো মিষ্টি ও থালায় ফুল ও টক দই নিয়ে হাজির ব্যারাকপুর কমিশনারেটের মহিলা বাহিনী।

ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে হেলমেট বিহীন বাইকের চালক সহ প্রায় সমস্ত গাড়িচালকদেরই ভাই ফোঁটা দেন মহিলা পুলিশ কর্মীরা।

সম্পর্কিত সংবাদ