দমদম পার্ক গুলিকান্ডে আটক মূল অভিযুক্ত

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল টুডেঃ দমদম পার্ক গুলিকান্ডে মূল অভিযুক্ত বাবু নায়েকের দাদা রাজেশ জেলবন্দি। অভিযোগ জেল থেকেই এলাকায় তোলাবাজি, হুমকি সবই দাপিয়ে চালাচ্ছে রাজেশ। গুলিকান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ। এর জন্য বিধাননগর আদালতে আবেদন জানাতে চলেছে পুলিশ।

অপরদিকে, এই ঘটনায় বাবু ও রাজেশের ঘনিষ্ঠ শানু নায়েককে আটক করেছে পুলিশ। শানু তাদের হয়েই কাজ করত বলে অভিযোগ। গুলিবিদ্ধ প্রোমোটার শেখর পোদ্দারের কাছ থেকে শানু সম্পর্কে তথ্য পায় পুলিশ। যদিও তখনও কোন খোঁজ নেই মূল অভিযুক্ত বাবু নায়েকের। তদন্তে নেমে বাগুইআটি, কেষ্টপুর ও দমদম পার্কের হরিজন পল্লিতে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। বাবু নায়েক ও তার আত্মীয়রা এসব জায়গাতেই থাকে। কিন্তু কোথাও বাবুর কোনও খোঁজ মেলেনি।

তদন্তে জানা গিয়েছে, ওড়িশার খুন্তকোতা আতাগড়ে একটি বাড়ি রয়েছে তাদের। সেখানে সে গা ঢাকা দিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। আর তাই ২৮ শে অক্টোবর রবিবারই ওড়িশায় গিয়েছে পাঁচ সদস্যের তদন্তকারী দল।

নায়েক বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিধায়ক সুজিত বসু। লেকটাউন থানায় বাবু নায়েকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে গুলিবিদ্ধ প্রোমোটারের পার্টনার চিরদীপ রায়। অস্ত্র আইন সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

বাবু নায়েক পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা চেয়ে হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এমনকি ২৭ শে অক্টোবর শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ দুই যুবক বাইকে করে এসে দমদম পার্কের কাছে দুই প্রোমোটারের নির্মীয়মান প্রজেক্টের কাছেই এসে টাকা চায়। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় বন্দুক বের করে শেখর পোদ্দার নামে প্রোমোটারকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এরপর দুই প্রোমোটারের থেকেই নগদ টাকা, সোনার হার ছিনতাই করে চম্পট দেয় তারা।

এরপর গুলি চলার আওয়াজ শুনেই ছুটে আসেন স্থানীয়রা। গুরুতর জখম অবস্থায় প্রোমোটারকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুট আউটের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শেখর পোদ্দার ও চিরদীপ রায় নামে দুই প্রোমোটার। বহুতলের নীচে দাঁড়িয়ে সেই সময় কথা বলছিলেন শেখর পোদ্দার ও চিরদীপ রায়। তখনই হামলার ঘটনাটি ঘটে।

সম্পর্কিত সংবাদ