ত্বক ভাল রাখতে নিয়মিত নানাবিধ অ্যালো ভেরা ফেসমাস্ক মুখে লাগান

Spread the love
  • 3
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    3
    Shares

 

ওয়েব ডেস্ক, বেঙ্গল টুডেঃ ত্বক ভাল রাখতে অ্যালো ভেরার কোনও বিকল্প নেই। কারণ অ্যালো ভেরা শুধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে না, সেই সঙ্গে নানা ধরনের স্কিন প্রবলেমকেও দূরে রাখে। এক্ষেত্রে জেনে রাখা ভাল যে নানা ধরনের ত্বকের জন্য় নানা ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে অ্যালো ভেরাকে। প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার কারণে বিউটি প্রডাক্ট হিসাবে অ্যালো ভেরার জনপ্রিয়তায় কোনও দিন ভাটা পরেনি। শুধু কী তাই! এতে রয়েছে লেকটিন, মেনাস এবং পরিসেকারাইড। এই উপাদানগুলি নানাভাবে ত্বকের উপকার করে থাকে। তাহলে অপেক্ষা কিসের! ঝটপট জেনে নিন আপনার ত্বকের জন্য় কোন ধরনের অ্যালোভেরা ফেস মাস্ক বেশি কার্যকরি…

১. অ্যালোভেরা এবং মুলতানি মাটিঃ ১ চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ চামচ অ্যালো ভেরা জেল এবং পরিমাণ মতো গোলাপ জল মিশিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগাতে শুরু করলে ফর্সা ত্বক পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। কারণ মুলতানি মাটি এবং অ্যালোভেরা জেল, এই দুটিতেই এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করে বিষাক্ত উপাদানদের বার করে দেয় ফলে ফর্সা এবং উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে সময় লাগে না।

২. অ্যালোভেরা এবং শসাঃ যাদের ত্বক খুব স্পর্শকাতর, তারা এই ফেস মাস্কটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি বানাতে একটা অ্যালোভেরা পাতা থেকে সংগ্রহীত জেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশাতে হবে। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ভাল মতন মিশে গেছে, তখন সেটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, তৈলাক্ত ত্বক, ময়লা এবং ত্বকে জমতে থাকা নানা ক্ষতিকর উপাদানকে পরিষ্কার করে ফেলতে এই ফেস মাস্কটি দারুন কাজে দেয়।

৩. অ্যালোভেরা আর নিম পাতাঃ ত্বকের প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি স্কিনের শুষ্কতা দূর করতে এবং ত্বককে প্রাণচ্ছল বানাতে এই তিনটি উপাদান মিলিয়ে বানিয়ে ফেলুন একটি পেস্ট। তরপর সেটি মুখে লাগিয়ে নিন। প্রসঙ্গত, ভাল করে মুখটা ধুয়ে নিয়ে ফেস মাস্কটি লাগাবেন। নচেৎ ভাল ফল পাবেন না।

৪. অ্যালোভেরা এবং লেবুঃ আপনার কি ড্রাই স্কিন? তাহলে এই ফেস মাস্কটি আপনার জন্য় একেবারে পরাফেক্ট! কারণ অ্যালোভেরা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা ব্রণ এবং চুলকানি কমায়। এখানেই শেষ নয় এই প্রাকৃতিক উপাদানটি লাগালে স্কিন আদ্র হয়। ফলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। কীভাবে বানাতে হবে এই ফেস মাস্কটি? এটি বানানো খুব সহজ! পরিমাণ মতো অ্যালোভেরা জেল নিয়ে তাতে এক ড্রপ লেবুর রস দিয়ে ভাল করে দুটি উপাদান মেশান। তারপর তা মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট রেখে দিন। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে ফেলুন।

৫. অ্যালোভেরা এবং মধুঃ যাদের তৈলাক্ত ত্বক তাদের জন্য় এই ফেস মাস্কটি দারুন কার্যকরি। কারণ মধু এবং অ্যালোভেরা, উভয়ই ত্বকের অতিরিক্ত তেলা ভাব কমায়, শুধু তাই নয় স্কিনের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলিকেও খুলে দেয়। ফলে ময়লা ধুয়ে গিয়ে ত্বক সুন্দর হতে শুরু করে। এক্ষেত্রে এক চামচ মধুর সঙ্গে পরিমাণ মতো অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে ফেলুন। তারপর সেই ফেস মাস্কটি ধীরে ধীরে মাসাজ করুন ত্বকে। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন যদি এই ফেস মাস্কটি মুখে লাগাতে পারেন তাহলে অল্প দিনেই দেখবেন ত্বক উজ্জ্বল হতে শুরু করেছে।

৬. অ্যালোভেরা এবং গোলাপ জলঃ শুষ্ক ত্বককে স্বাভাবিক করতে এই ফেস মাস্কটি দারুন কাজে আসে। সেই সঙ্গে বলি রেখা, ব্রণ এবং কালো ছোপ আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। প্রসঙ্গত, অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে কয়েক ড্রপ গোলাপ জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন মুখটা।

৭. অ্যালোভেরা ও হলুদঃ দুধ, হলুদ এবং অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে বানানো এই ফেস মাস্কটি উজ্জ্বল এবং নরম ত্বক পেতে আপনাকে সাহায্য করবে। প্রসঙ্গত, হলুদে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা ব্রণর প্রকোপ কমায়। অপরদিকে, অ্যালো ভেরা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। আর দুধ কী কাজে লাগে? কাঁচা দুধ ত্বকের পি এইচ লেভেল ঠিক রাখে। ফলে ত্বক নরম হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment