পুজোয় ভোটের রাজনীতি ও সংবিধান বিরোধী রাজনীতির সাতকাহন

Spread the love
  • 14
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    14
    Shares

 

রাজীব মুখার্জী, শরৎ সদনঃ মহরমে দূর্গা পূজার বিসর্জন বন্ধ ছিল ২০১৬ তে, যা এই বাংলায় খুব অস্বাভাবিক ঘটনা বলে সবাই মনে করেছিল। এবং তার রেষ ধরে রেডি রোডে ব্রাজিলের অনুকরণে কার্নিভাল করার পরিকল্পনা আসে এই বাংলার সরকারের মাথায়। সেই থেকে শুরু। এবারে কলকাতার ধাঁচে হাওড়াতেও দুর্গোৎসবের বিসর্জন কার্নিভাল করা যায় কিনা তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে হাওড়া প্রশাসনের তরফ থেকে। এই ভাবনাকে সামনে রেখে সোমবার সন্ধ্যায় হাওড়া সিটি পুলিশের তরফ থেকে আয়োজিত শারদোৎসব-২০১৮ উপলক্ষে একটি বৈঠকে হাওড়া সিটির পুজো কমিটিগুলিকে ডাকা হয়৷

সেখানেই এই কথা প্রস্তাবের আকারে রাখেন এই মুহূর্তের হাওড়া পুলিশ কমিশনার তন্ময় রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, “এই বিষয় নিয়ে পুজো কমিটি গুলোর সঙ্গে পরবর্তী কথা বলা হবে। এখনো ভাবনার স্তরে রয়েছে। আমরা আলোচনা করছি যদি কোনো ভাবে এখানে এটা কড়া যায়।” এদিনের এই বৈঠকে পুজো কমিটি গুলি ছাড়াও সিইএসসি, দমকল, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, থানার আধিকারিক ও পুলিশ কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় মন্ত্রী তথা হাওড়া জেলা (সদর) সভাপতি অরূপ রায়, বিধায়ক জটু লাহিড়ী, ব্রজমোহন মজুমদার সহ পুরসভার ডেপুটি মেয়র, চেয়ারম্যান ও মেয়র পারিষদরা। হাওড়া পুরসভার মেয়র পারিষদ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শারদীয়ার উপহার হিসেবে এই বছর পুরনিগম এলাকার সব পুজো কমিটির উপর থেকে পুজো অনুমোদনের জন্য ফি মুকুব ঘোষণা করা হচ্ছে।

এতদিন পুর এলাকায় পুজোর আয়োজকদের দিন প্রতি ৩ টাকা প্রতি বর্গ ফুট হিসেবে ফি জমা দিতে হত। এই বছর তা মকুব করা হয়েছে।” হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি রণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হাওড়া কমিশনারেট এলাকায় এবার মোট পুজোর সংখ্যা প্রায় ৭৫২টি। ঠাকুর ভাসান করা যাবে ১৯, ২০ ও ২১ অক্টোবর। হাওড়ার ১৩ টি নির্দিষ্ট ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে। তবে ভাসানে কোনও রকম ডিজে ব্যবহার করা যাবে না।” এদিনের বৈঠকের পর পুজোর উদ্যোক্তারা স্বভাবতই খুশি। প্রসঙ্গত কিছু দিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী এই রাজ্যের সব পুজোর কমিটি গুলীকে ১০,০০০/- করে দেবেন বলেছিলেন তারপরে এই বিশেষ ঘোষণায় বাড়তি পাওনা পুজোর কমিটি গুলোর কাছে, এমনটাই মনে করছে পুজো কমিটি গুলো।

সম্পর্কিত সংবাদ