সোনারপুরের প্রত্যেকটি বাড়িতে ওয়েস্ট টু ওয়েলথ প্রকল্প চালুর নির্দেশ পুর-মন্ত্রি ফিরহাদ হাকিমের

Spread the love
  • 25
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    25
    Shares

অমিয় দে, সোনারপুরঃ সোনারপুরকে কর্পরেশনের আওতায় আনার আগেই প্রত্যেক বাড়িতে ওয়েস্ট টু ওয়েলথ প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিলেন পুর-মন্ত্রি ফিরহাদ হাকিম। ২০১১ সালে সেন্সাসে সোনারপুরের জন সংখ্যা সাড়ে ৪ লক্ষ ছিল, আগামী সেন্সাসের পর সোনারপুরের জন সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ৬ লক্ষ। তাতে করে রাজপুর সোনারপুর পুরসভা কর্পোরেশনে পরিণত হওয়ার আগেই মন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ, রাজপুর সোনারপুর পুরসভা বর্জ্য থেকে সম্পদ করার লক্ষ্যে ওয়েস্ট টু ওয়েলথ প্রকল্প চালু করুক প্রত্যেক বাসিন্দাদের বাড়িতে, এমনই বললেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রি ফিরহাদ হাকিম। শনিবার বিকালে রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ময়লা পোতা এলাকায় অ-পচন শিল বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পরিবেশ বান্ধব স্যানেটারি ল্যান্ড ফিল প্রকল্পের উদ্বোধন করে এই কথা ঘোষণা করেন পুরমন্ত্রি ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ৭ কোটি টাকা, রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪ লক্ষ ২৩ হাজার মানুষ আপাতত উপকৃত হবেন। প্রতিদিন ৫০ মেট্রিক টন বর্জ্য নিষ্কাশন করা হবে। এদিন মন্ত্রী ছাড়াও মঞ্চে উপস্তিত ছিলেন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম, জীবন মুখোপাধ্যায়, চেয়ারম্যান ডঃ পল্লব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা সরকার সহ অন্যান্য পুরপিতা ও মাতারাও।

এদিন মন্ত্রী আরও বলেন, দুই ভাগে ভাগ করতে হবে এই ওয়েস্ট টু ওয়েলথ প্রকল্প কে, প্রত্যেক বাসিন্দাদের বাড়িতে দুটি করে বালতি থাকবে, একটাতে শুকনো জিনিষ থাকবে, আর একটাতে পচা জিনিষ থাকবে, একটা থেকে সার তৈরি করে বাজারে বিক্রি হবে, আর একটা থেকে বায়ো গ্যাস করা হবে, তা থেকে বিদ্যুৎ তৈরি করে গ্রিডে পাঠানো হবে, এতে পুরসভার আয়ও বাড়বে। মানুষকেও সচেতন করতে হবে, দায়িত্বরত সি আই সি, পুরপিতা ও পুরমাতাদের নিয়ে বসে তা চালু করতে হবে বলে জানান তিনি। এছাড়াও রাজপুর সোনারপুর পুরসভায় ৭৫১ কোটির জল প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ন হলে ২৪ ঘন্টা পরিশ্রুত পানীয় জল দেওয়া হবে। এই জল আসবে কলকাতা পোর্টের বুধঘাট থেকে। এই জল সোনারপুর থেকে বারুইপুরের মানুষ ২৪ ঘণ্টা পরিসেবা পাবে বলে আশাবাদী পুরসভা। তাতে করে একদিকে যেমন বর্জ্য পরিষ্কার, আর অন্য দিকে পরিশ্রুত পানীয় জল পাওয়া যাবে।

এছাড়াও এদিন সাংবাদিকরা বিজেপির ডাকা বাংলা বন্ধ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে, মন্ত্রী বলেন, “বন্ধ করে লাভ নেই, বাংলা এগিয়ে যাবে পিছিয়ে থাকবে না, ক্যাংক রাদের বন্ধে মানুষ থাকবে না”। এদিন মন্ত্রী সোনারপুর ২ পঞ্চায়েতের কে এম ডি এর রামচন্দ্রপুর মুখার্জী বাগান থেকে গোপালপুর তারা মন্দির পর্যন্ত ৯০ লক্ষ ৮১ হাজার টাকার রাস্তার কাজ ওয়ার্ক লোড হয়ে যাওয়ার পরও বন্ধ কেন! তার জন্য কে এম ডি এর অরুন চক্রবর্তী কে অবিলম্বে দেখার নির্দেশ দেন, এমনকি ইঞ্জিনিয়ার প্রসেনজিৎ মণ্ডল কে তলব করেন গোটা বিষয়টি জানার জন্য, মন্ত্রি এই বিষয়ে রিপোর্ট ও তলব করেন। প্রসঙ্গত, এই রাস্তা হলে উপকৃত হবে এলাকার প্রচুর মানুষ। কিন্তু টেন্ডার বেড়িয়ে যাবার পরও কাজ কেনো বন্ধ হয়ে গেলো, এতে বিধায়ক জীবন মুখোপাধ্যায়কে ও বিষয়টি দেখার জন্য বলেন। তবে সব মিলিয়ে অসংখ্য সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment