২০ বছর পর আবার তিনি ফিরলেন প্রদেশে কংগ্রেসের শীর্ষ আসনে

Spread the love
  • 26
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    26
    Shares

 

অরিন্দম রায় চৌধুরী ও অমিয় দে, কলকাতাঃ লোকসভা ভোটের আগে সেই সোমেন মিত্রের উপরই ভরসা রাখলেন সভাপতি রাহুল গান্ধী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে অধীর চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হলেন সোমেন মিত্র। মাঝে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে চলে গিয়েছিলেন। তারপর তৃণমূলের সংসর্গ ত্যাগ করার পর আবার কংগ্রেসে ফিরে আসেন।

সেই ১৯৯৮ কংগ্রেস ছেড়ে নতুন দল গড়েছেন বাংলার অগ্নিকন্যা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ভাঙনেই কংগ্রেসের পতনের শুরু হয়েছিল রাজ্যে। একের পর এক নেতারা যোগ দেন মমতার নব্য গঠিত তৃণমূল কংগ্রেস দলে আর তারপর ক্রমশই কংগ্রেস খাদের কিনারায় চলে গিয়েছে। আর দলকে সম্মিলিত রাখতে ব্যর্থ হয়ে নিজে থেকেই সেই বছর মার্চেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন সোমেন মিত্র।

তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। এমনকি রাজ্যে পরিবর্তনও এসেছে। ২০১১-র পরিবর্তনের সময়ে আবার রাজ্য “বদলা নয় বদল চাই” স্লোগান দিয়ে সোমেন মিত্র হাত মিলিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তারপর আবার ফের মনোমালিন্য মমতার সঙ্গে, সরে এসেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে। ফিরেছিলেন কংগ্রেসে। আর এবার ২০ বছরের বানপ্রস্থ কাটিয়ে তিনি আবার প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বে ফিরলেন।

লোকসভা ভোটের আগে সোমেন মিত্রকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় হাইকম্যান্ডের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সোমেন মিত্র। তিনি বলেছেন, তাঁকে যে গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তিনি তা পালনের সাধ্যমতো চেষ্টা করবেন। চেষ্টা করবেন কংগ্রেসকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে। যাঁরা চলে গিয়েছেন কংগ্রেস ছেড়ে, তাঁদের ফের ফেরানোর চেষ্টাও করবেন তিনি।

এমনই স্বল্পভাষী সৌমেন কিন্তু অধীর চৌধুরীর দায়িত্ব থেকে অপসারণ ও প্রদেশের সমীকরণ নিয়ে তিনি মুখ খোলেননি। তিনি আশা করেন, প্রদেশ কংগ্রেসকে ফের পুরনো ছন্দে ফেরাতে সকলের সাহায্য পাবেন। অধীর চৌধুরীর মতো তরুণ-তুর্কি নেতারও যে তাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করবেন তা নিয়ে তিনি আশাবাদী। তিনি স্পষ্ট করে দেন, রাজনীতিতে কোনও স্থায়ী শত্রু নেই, স্থায়ী মিত্র নেই। এই মুহূর্তে যে কংগ্রেসের বিরোধিতা করবে, সেই শক্র। তিনি এদিন রাজ্যে সরকারেরও সমালোচনা করেন।

সম্পর্কিত সংবাদ