আমডাঙায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের জেরে মৃত্যু হল ৩ জনের, আহত প্রায় ১৭

Spread the love
  • 18
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    18
    Shares

শান্তনু বিশ্বাস,আমডাঙাঃ ২৯শে আগস্ট (বুধবার) তাড়াবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন করার কথা ছিল আর এই নিয়ে ২৮শে আগস্ট (মঙ্গলবার) রাত থেকেই নজির বিহীন ভাবে গুলি-বোমা চলে আমডাঙায়। তাতে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। সিপিআইএম নেতা মোজাফ্ফর পিঁয়াদা (৩৮), এবং দুই তৃণমূল কর্মী কুদ্দুস আলী গনি (৪৫) ও নাসির হালদার। হাসপাতালে ভর্তি অন্তত আরও ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। আমডাঙার মরিচা, বোদাই, তারাবেরিয়া, বহিসগাছি এলাকায় নির্বিচার গোলাগুলি চলে।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে দীর্ঘক্ষণ পুলিশ ঢুকতে পারেনি সেই এলাকায়। আমডাঙা সহ প্রায় ৪টি থানার পুলিশ একজোট হয়েও দুষ্কৃতিদের মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়। পরে রাতের দিকে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে দেহ গুলি উদ্ধার করে আনতে সমর্থ হয়। তৃণমূলের যে ৪ জনকে বারাসাত হাসপাতালে আনা হয়েছে তাঁরা হলেন নাজিমুল গাজী, রবিউল, আনোয়ার হোসেন ও ফৈজল হক। আহতদের দেখতে ও এলাকার পরিস্থিতির খবর নিতে রাত ১১ টা নাগাদ বারাসাত হাসপাতালে যান খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও আমডাঙ্গার বিধায়ক রফিকার রহমান।

বারাসাত হাসপাতালে আহতদের দেখতে এসে পশ্চিমবঙ্গের খাদ্য মন্ত্রি সরাসরি অভিযোগ করেন, “আমডাঙার একটি অংশ জুড়ে তাণ্ডব চলেছে আজকে, পুলিশ কে ২ ঘনটা ধুকতে দেয়নি আজকে। যে ভয়ংকর কাণ্ড সিপিআইএম করেছে, তার সাথে বিজেপি মদ্দতপুষ্ট। আমাদের কাছে খবর আছে, মিনিমাম ৩৫০০ বোম ও ৪ থেকে ৫ হাজার রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। প্রায় ১৭ জন আহত হয়েছে, কোন শুভবুদ্ধি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দল এ কাজ করতে পারে, আমি ভাবতেও পারিনা”।

এই ঘটনা নিয়ে সিপিএমের অভিযোগ, বুধবার তাড়াবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন ছিল। এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে রয়েছে। তাই সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের টহলদারি চলছে গোটা এলাকায়। তবে এখন ভয়তে বাস করতে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের।

সম্পর্কিত সংবাদ