দেগঙ্গায় তৃনমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত হল আমুলিয়া ও চৌরাশি পঞ্চায়েত

Spread the love
  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

নিজস্ব প্রতিনিধি,দেগঙ্গাঃ উওর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা বক্লে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দেগঙ্গার আমুলিয়া ও চৌরাশি পঞ্চায়েত এলাকা। ২৬শে আগস্ট, রাত থেকে সেখানে শুরু হয়েছে বোমাবাজি। দেগঙ্গার বিধায়ক তৃণমূল নেত্রী রহিমা মণ্ডলের গাড়ি ভাঙচুর করে তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মফিদুল হক শাহাজি ওরফে মিন্টুর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দেগঙ্গা থানার পুলিশ সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। বোর্ড গঠন হওয়ার কথা আমুলিয়া ও চৌরাশি গ্রাম পঞ্চায়েতে। চৌরাশি পঞ্চায়েতে প্রধান পদের জন্য পারভিনা বিবি ও উপপ্রধান পদের জন্য এনামুল মোল্লাকে তৃণমূলের তরফে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা ২ জনই বিধায়ক রহিমা মণ্ডলে ঘনিষ্ঠ। রহিমা মণ্ডল খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের অনুগামী। অন্যদিকে, ব্লক সভাপতি মফিদুল হক শাহাজি ওরফে মিন্টু বারাসত সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অনুগামী। এর আগেও বিধায়কের সঙ্গে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব ছিল ব্লক সভাপতির। অভিযোগ, এই কারণেই প্রধান ও উপপ্রধান পদপ্রার্থীদের পছন্দ হয়নি ব্লক সভাপতি ও তাঁর অনুগামীদের। বোর্ড গঠনে বাধা দিতে গতরাত থেকে এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়েছে। ২৭শে আগস্ট, সোমবার সকালে পঞ্চায়েত অফিসে যাওয়ার সময় ব্লক সভাপতির অনুগামীদের হাতে আক্রান্ত হন খোকন নামে এক বাম পঞ্চায়েত সদস্য। তখন খোকনের পক্ষ নিয়ে হামলাকারীদের সঙ্গে মারপিটে জড়িয়ে পড়ে বিধায়ক গোষ্ঠীরা। আবার অন্যদিকে, আমুলিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান পদের জন্য ব্লক সভাপতি ঘনিষ্ঠ ২ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ২৭শে আগস্ট, সোমবার সকালে বিধায়কের অনুগামীরা সেখানে বোর্ড গঠনে বাধা দেয়। এরপর আমুলিয়া এলাকায় বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। মারধর করা হয় তাঁর গাড়ির চালককে। গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি তাঁকে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন বিধায়ক রহিমা মণ্ডল। বিধায়ক বলেন, “আমি আমুলিয়ায় পৌঁছানোর পর আমার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। মারধর করা হয়েছে আমার গাড়ির চালককেও। ওরা সঙ্গে করে অনেককিছু নিয়ে এসেছিল। আমাকে খুনের পরিকল্পনা ছিল। আমি চাই প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিক।” পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এখন চলছে পুলিশি টহল দাড়ি।

সম্পর্কিত সংবাদ