মৃত্যুর পর মর্গ থেকে গায়েব সোনার গহনা

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শান্তনু বিশ্বাস, অশোকনগর:

১৮ ই জানুয়ারি হাবড়া থানার অন্তর্গত অশোকনগর ডিরোজিও পল্লির সুজন চক্রবর্তী নামক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার শবশুরবাড়ির তরফ থেকে অভিযোগ নিজ স্ত্রীকে খুনের। মূলত পরিকল্পিত খুন বলেই অনুমান মেয়ের বাড়ির। বর্তমানে গৃহবধুর স্বামীকে আটক করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

হাবড়া থানার অন্তর্গত অশোকনগর ডিরোজিও পল্লির সুজন চক্রবর্তীর সাথে বিয়ে হয় উত্তর ২৪ পরগণার হালিশহরের শান্তনা চক্রবর্তীর। ইতিমধ্যে তাদের ৩ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে। ঘটনা সুত্রে খবর, এদিন সকাল ৫ টা নাগাদ শান্তনার বাবাকে জামাই সুজন ফোন করে জানায় তার মেয়ের ডায়রিয়া বমি হয়েছে। শারিরীক অবস্থা খুব খারাপ । যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনারা চলে আসুন। এরপরই মেয়ের বাবা তড়িঘড়ি মেয়ের শশুরবাড়ি যান এবং সেখানে গিয়ে মেয়ের নিথর দেহ দেখতে পান।

এক্ষেত্রে মেয়ের বাড়ির অভিযোগ, যেখানে তাদের মেয়ে গলায় দড়ি দিয়েছে বলে বলছে তার স্বামীর বাড়ির লোকেরা সেখানে কোন দিন কোন মানুষ গলায় দড়ি দিতে পারবে না। আর তার মেয়ের মৃত্যুটি একটি পরিকল্পিত খুন বলে অনুমান মেয়ের পরিবারের। কারন দীর্ঘদিন ধরে ওদের অর্থনৈতিক  সমস্যা ছিল এবং অনেক ধার দেনা হয়ে গেছিল। এর দরুন মাঝে মাঝে বাবার কাছ থেকে টাকা আনত শান্তনা। আর তাই শান্তনার বাবা পুলিশের কাছে সুজন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

এমনকি এদিন ছেলের বাড়ির থেকে শান্তনার দেহটি নামিয়ে হাসপাতাল মর্গে আনার পরে থানার ডোম তার শরীরে থাকা কিছু সোনার জিনিস গাঁয়েব করে  দেয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে ঘিরে বিশাল উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে অশোকনগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। স্থানীয় সুত্রে দাবী, এলাকবাসিদের চাপের বশে পরে থানার ডোম রবি দাস স্বীকার করেন যে সে সমস্ত কিছু খুলে নিয়েছে মৃতার দেহ থেকে। ইতিমধ্যে গৃহবধুর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। এবং শান্তনার দেহটি ময়নাতদন্ত করার জন্য বারাসাতে পাঠানো হয়েছে। আপাতত এই ঘটনার জেরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সম্পর্কিত সংবাদ

Leave a Comment