বিজেপি-পিডিপি ভাঙনের পর কাশ্মীরের রাজনীতি এখন কোন পথে?

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

 

ওয়েবডেস্ক, বেঙ্গলটুডেঃ ২০১৫ সালে কাশ্মীরে ক্ষমতায় আসে পিডিপি -বিজোপি জোট। কেন্দ্রের মসনদে বিজেপি আসর পর কাশ্মীর বিধানসভার ২০১৫ সালের নির্বাচন বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে পিডিপি-বিজেপির রাজনৈতিক অঙ্কের প্রেক্ষাপটে। এরপর দুই পার্টির সুখের জোটে বিভিন্ন ইস্যুতে মতবিরোধ দেখা দিতে শুরু করে। আর সেই চিড় বাড়তে বাড়েতে শেষমেশ এই জোট ভাঙনে গিয়ে ঠেকে। একদিকে জোট থেকে বিজেপি বেরিয়ে এসে যেন সরকারের পতন ডেকেছে, অন্যদিকে তৎক্ষণাৎ নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। এরকম পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোনদিকে এগোচ্ছে দেখে নেওয়া যাক।

এবার কাশ্মীরের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে দেখে নেওয়া যাক আসন সংখ্যার বিচারে কে কোথায়? জম্মু কাশ্মীর বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৮৭। সেখানে পিডিপির রয়েছে ২৮ জন বিধায়ক। বিজেপির রয়েছে ২৫ জন বিধায়ক। ন্যাশনাল কনফারেন্সের রয়েছে ১৫ জন বিধায়ক। কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক। অন্যান্য রয়েছেন ৭ টি আসন দখল করে। বিধানসভায় সরকার গড়তে হলে ৪৪টি আসনের ম্যাজিক ফিগার দখল করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে।

তাহলে আসন সংখ্যার অঙ্ক যা বলছে, তাতে পিডিপি যদি এমর আবদুল্লার ন্যাশনাল কনফারেন্সের সঙ্গে হাত মেলায় এবং কংগ্রেসকেও একজোট করে, তাহলে সরকার গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ন্যাশনাল কনফারেন্স সেই সম্ভাবনা খারিজ করেছে। তাই ন্যাশনাল কনফারেন্স পিডিপির সঙ্গে জোট বদ্ধ হতে না চাওয়ায়, আস্থাভোটে কংগ্রেসও ন্যাশনাল কনফারেন্সকে নিয়ে বাজিমাত করার রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে রইল পিডিপির জন্য।

অতএব এই মুহূর্তে রাজ্যপালের শাসনের দিকেই এগোতে চলেছে কাশ্মীরের রাজনৈতিক পরিস্থতি। তবে, পার্টিগত সমঝোতা না হলে পুননির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে খুব শিঘ্রই।

সম্পর্কিত সংবাদ